Skill development, welfare schemes elevate quality of life in Sunderbans

0
1221
Tiger in the Forest Of Sunderban
Tiger in the Forest Of Sunderban

Skill development, welfare schemes elevate quality of life in Sunderbans

Skill development, welfare schemes elevate quality of life in Sunderbans

In a unique move, the Bengal Government has taken up a host of new initiatives to improve the socio-economic condition of people in Sunderbans. Various skill development programmes have been initiated at various villages in Sunderbans and some parts of North and South 24 Parganas.

Three hospitality management courses are being conducted by the State Government for the past one year to train many educated but unemployed youths in these areas so that they can start their own business. Initiatives are being taken to include the youth in various self help groups operating in the State. Three courses on plumbing and for electricians have already been started each at Kakdwip and Canning in South 24 Parganas and Hasnabad in North 24 Parganas, so that the youth can develop skills, thereby creating employment in the distant areas of Sunderbans.

Various hospitality management courses have already been started at Sunderbans, keeping in mind the boom in the retail sector. In small towns, young men are getting employment after going through the skill development programmes. The retail sectors that are coming up in small towns also have requirement for skilled workers. With various hotels coming up at different locations across the state, trained persons are needed for hospitality management. Hence, the state government tied up with several skill development partners, accredited by the National Skill Development Council.

People in Sunderbans have already started producing various handicraft items by forming self help groups. Many of the family members of victims of tiger attacks in the forest-adjoining villages, like Jhorkhali, are engaged in production of various food items and other products to earn a better livelihood. The local administration is also creating a market where these people can sell their goods and get a good amount against their products.

The State government has also been focusing on the building of infrastructure to improve connectivity, for which around Rs 400 crore would be allotted. The state government has taken up the project to improve connectivity between the islands in Sunderbans.

There are around 104 islands in Sunderbans, among which half are inhibited by people while the rest are dense forest areas. Around 50 lakh people are currently living in the Sunderbans. This is for the first time that the State Government has allotted a significant amount for development of infrastructure in the islands.

 

সুন্দরবন জুড়ে উন্নয়নের জোয়ার

বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে সুন্দরবন অঞ্চলে এসেছে উন্নয়নের এক নতুন ঢেউ। উত্তর ও দক্ষিন ২৪ পরগনার অন্তর্গত সুন্দরবন অঞ্চলের বেশ কিছু জায়গা নিয়ে তৈরী হচ্ছে নতুন জেলা। এই অঞ্চলে চালু হয়েছে নানা স্কিল ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচি, দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে।
রাজ্য সরকার গত এক বছর ধরে শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য তিনটি হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কোর্স চালিয়ে যাচ্ছে যাতে তারা স্বনির্ভর হতে পারে। বিভিন্ন স্বনিভর গোষ্ঠীর সাথে যুক্ত যুবক-যুবতীদেরও এই কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা আছে।
এছাড়াও প্লাম্বিং ও ইলেক্ট্রিসিয়ানদের জন্য কোর্স শুরু করা হয়েছে দক্ষিন ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, ক্যানিং ও উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে যাতে তারা স্বনির্ভর হতে পারে।
ইতিমধ্যেই খুচরো ব্যবসাকে লক্ষ্য করে সুন্দরবনে অনেকগুলি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। ছোট শহরগুলিতে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা খুব সহজেই কাজ পেয়ে যাচ্ছে। খুচরো বিপণনকেন্দ্র যেগুলো আস্তে আস্তে ছোট শহরগুলিতে আসছে সেখানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীর চাহিদা আছে।
সারা রাজ্যে যেখানে নিত্যনতুন হোটেল খুলছে, সেখানে হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের প্রয়োজন আছে। ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের অনুমোদিত বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে রাজ্য সরকার চুক্তিবদ্ধ হয়েছে।
সুন্দরবনের মানুষজন ইতিমধ্যেই স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনেক হস্তশিল্প দ্রব্য তৈরী করছেন। জঙ্গলের লাগোয়া গ্রামগুলোর বাঘের আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা অনেকেই জীবিকার জন্য খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য জিনিস তৈরী করছে। এই সকল দ্রব্য যাতে উচিত মূল্যে বিক্রি করা যায় তার জন্য স্থানীয় প্রশাসন একটি বাজারের ব্যবস্থা করছে।
রাজ্য সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো উন্নতির উপর জোর দিচ্ছেন, যাতে করে বিভিন্ন দ্বীপগুলোর সঙ্গে সুন্দরবনের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো করা যায়; এর জন্য আনুমানিক খরচ হিসেবে ৪০০ কোটি টাকা ধার্য করা হয়েছে।
সুন্দরবনে আনুমানিক ১০৪টি দ্বীপ আছে, যার অর্ধেকে মানুষের বসবাস আছে ও বাকিগুলি ঘন জঙ্গলে ঘেরা। সুন্দরবনে আনুমানিক ৫০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এই প্রথম কোনো রাজ্য সরকার এতো টাকা ধার্য করল যাতে করে সুন্দরবনের সার্বিক পরিকাঠামোর উন্নয়ন করা যায়।