From darkness to light, through Swabalamban Special & Muktir Aalo

0
596
Mamata
Mamata

From darkness to light, through Swabalamban Special & Muktir Aalo

From darkness to light, through Swabalamban Special & Muktir Aalo

Chief Minister Mamata Banerjee, since coming to power, has strived hard to bring about a significant change in Bengal; and she has succeeded to a large extent, though efforts and new ideas are ever-flowing.

Among the many innovative schemes introduced by the Trinamool Congress-led State Government, two schemes have tried to bring about a major change to the lives of a group of people who have hitherto been mostly neglected – prostitutes.

Through ‘Swabalamban Special’ and ‘Muktir Aalo’, the Government has tried to bring back into the mainstream prostitutes and girls who had been trafficked and rescued, but have not been accepted back into society (many of whom live in Government-maintained homes).

A hundred women, many of whom are illiterate, have been trained in three things – acting, block printing and spice-making. After undergoing a four-month training, divided into two sets of workshops, conducted by the Department of Women & Child Development and Social Welfare, these women received their certificates from the concerned Minister, Dr Sashi Panja.

It is hoped that this training would help these women to reconstruct their lives in a meaningful manner. These courses have proved to be a boon for many women.

 

রাজ্য সরকারের ‘স্ববলম্বন স্পেশ্যাল’ ও ‘মুক্তির আলো’ প্রকল্পে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অবহেলিতা নারীরা

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনায় সচেষ্ট হয়েছেন। নিত্যনতুন চিন্তা ভাবনা ও কর্ম প্রয়াসের মাধ্যমে তিনি অনেক ক্ষেত্রে সফলও হয়েছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের প্রচুর অভূতপূর্ব প্রকল্পের মধ্যে দু’টি প্রকল্প সমাজের একটি অবহেলিত অংশকে আশার আলো দেখাতে খুব সাহায্য করছে।

বিভিন্ন সরকারি হোমে থাকা পাচার হওয়া থেকে উদ্ধার হওয়া মেয়েদের সমাজের মুলস্রোতে ফিরিয়ে আনতে সরকারের দুটি প্রকল্প স্ববলম্বন স্পেশ্যাল ও মুক্তির আলো।

একশো জন মহিলাকে যাদের বেশিভাগই নিরক্ষর, তিনটি কাজে হাতেখড়ি দেওয়া হচ্ছে – অভিনয়, ব্লক পেন্টিং এবং মশলা তৈরি। নারী-শিশু ও সমাজ কল্যান বিষয়ক দপ্তরের তত্ত্বাবধানে দু’টি কর্মশালায় ভাগ করে চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর তাদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

আশা করা যায়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই সকল মহিলারা আবার তাদের জীবন নতুনভাবে শুরু করতে পারবে। ইতিমধ্যেই এই ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেক মহিলাকে উপকৃত হয়েছেন।