জামদানি ,টাঙ্গাইল সহ বাংলাদেশের তাঁতের শাড়ি চোরাপথে ঢুকছে এপারে চিন্তায় তাঁত ব্যবসায়ীরা

0
1166
Taant-saree
Taant-saree

বাংলাদেশের তাঁতের শাড়ি চোরাপথে ঢুকছে এপারে চিন্তায় তাঁত ব্যবসায়ীরা

দক্ষিণ দিনাজপুরঃ বাংলাদেশের তাঁত জগৎ বিখ্যাত আর তার চাহিদা সর্বত্র । এই বাজার কে মাথায় রেখে চলছে অবৈধ আমদানি ,চোরা পথে বাংলাদেশের তাঁতের শাড়ি দক্ষিণ দিনাজপুরে আসার জন্য গঙ্গারামপুরের তাঁত শ্রমিকদের মাথায় হাত। কারন সারা বছর তাঁত শ্রমিকরা তাঁত বুনে পুজোর এই সময়টা অপেক্ষা করে থাকেন কবে তাদের বোনা শাড়ি বাইরে যাবে এবং প্রচুর টাকা উপার্জন হবে।

কিন্তু এবার পুজোর সময় অধিকাংশ ব্যাবসায়ী তাঁদের কাছ থেকে শাড়ি না নিয়ে বাংলাদেশ থেকে চোরা পথে শাড়ি নিয়ে এসে অনেক কম দামে বিক্রি করছেন। তাই গঙ্গারামপুর এলাকার প্রায় ৫-৭ হাজার তাঁত শ্রমিকের ব্যবসায় এবার মন্দা। তার একমাত্র কারণ চোরা পথে আসা ওপার বাংলার শাড়ি। সে’জন্য গঙ্গারামপুরের তাঁত শ্রমিকদের হাতে তৈরি করা শাড়ি তাঁদেরই ঘরের শোভা বাড়িয়ে চলেছে। তাঁত শ্রমিক সংগঠন বহুবার প্রশাসনকে বলা সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ।

জামদানি ,টাঙ্গাইল সহ বাংলাদেশী শাড়ীর পসরা নিয়ে ঘরে ঘরে ফেরি করছে মানুষ চোরা পথে আইন কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সারা বাংলায় এখন চোরাই শাড়ির রমরমা ।

তাঁত মালিক গণপতি বসাক জানান, গঙ্গারামপুর ব্লকের মহারাজপুর এলাকায় প্রচুর তাঁত শ্রমিক আছেন। পুজোর মুখে শাড়ি তৈরির জিনিসপত্র সহ অন্যান্য জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁতের শাড়ি বিক্রি বন্ধের মুখে। কারণ চোরা পথে এদেশে বাংলাদেশের শাড়ি আসার জন্য তাঁদের হাতে তৈরি শাড়ি ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছে। এই এলাকার তাঁত শ্রমিকদের অবস্থা খুবই খারাপ। মাথায় হাত তাঁতিদের। গঙ্গারামপুর পৌরসভার হালদারপাড়া ,বসাকপাড়া ছাড়াও মহারাজপুর এলাকার একাংশ জুড়ে তাঁত শ্রমিকরা রয়েছেন। 

গঙ্গারামপুর পৌরসভার চেয়ারমান প্রশান্ত মিত্রকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, “আমরা তাঁত শ্রমিকদের সাথে কথা বলব। এবং কীভাবে বাংলাদেশের শাড়ি এপারে আসছে তা নিয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে কথা বলে খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান করব।

প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পরে এবার বাংলার তাঁত না হারিয়ে যায়