দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ৬ জন পর্যবেক্ষক এবং ৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে

0
654
Election
Election

২০১৯এর সাধারণ নির্বাচনে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ৬ জন পর্যবেক্ষক এবং ৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে

পসেইডন: 26 MAR 2019 3:17PM by PIB Kolkata

কলকাতা, ২৫ মার্চ, ২০১৯

     ২০১৯এর সাধারণ নির্বাচনে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার (তপশিলী জাতি), আলিপুরদুয়ার (তপশিলী উপজাতি) এবং রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ৬ জন পর্যবেক্ষক এবং ৩ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে।

সাধারণ যে পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ করা হচ্ছে তাঁরা হলেন, ব্রিজেশ কুমার সান্ত (আইএএস উত্তরাখন্ড, ২০০৬ ব্যাচ), কোচবিহারী পান্ডা (আইএএস), জয়রাম এন (আইএএস), অমরেন্দ্র প্রসাদ সিং (আইএএস), চান্দের প্রকাশ বর্মা (আইএএস হিমাচলপ্রদেশ, ২০১০) এবং মুকেশ কুমার (আইএএস গুজরাট ক্যাডার)।

জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের জন্য ব্রিজেশ কুমার সান্তকে নিয়োগ করা হচ্ছে। দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে কোচবিহারী পান্ডাকে দার্জিলিং (পার্বত্য) এবং জয়রাম এন-কে দার্জিলিং (সমতল)-এ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে। অমরেন্দ্র প্রসাদ সিং-কে নিয়োগ করা হচ্ছে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের জন্য। কোচবিহার (তপশিলী জাতি) লোকসভা কেন্দ্রের জন্য চান্দের প্রকাশ বর্মাকে এবং মুকেশ কুমারকে আলিপুরদুয়ার (তপশিলী উপজাতি) লোকসভা কেন্দ্রের জন্য পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে।

তিনজন পুলিশি পর্যবেক্ষকদের মধ্যে আইপিএস বিনোদ কুমার-কে কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের জন্য নিয়োগ করা হচ্ছে। তামিলনাড়ু ক্যাডারের আইপিএস অশোক কুমার দাশকে জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইপিএস রাজেশ কুমার সিং-কে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের।

রাজ্যে কোনও সহায়ক ভোটকেন্দ্র না থাকলেও সুষ্ঠুভাবে ভোটের কাজ সম্পন্ন করার জন্য বুথে অতিরিক্ত একটি ভিভিপ্যাট মেশিন রাখা হচ্ছে।

এখনও পর্যন্ত ন্যাশনাল গ্রিভেন্স সার্ভিস-এনজিএস-এর মাধ্যমে ৬৮২টি অভিযোগ জমা পড়েছে, যারমধ্যে ৩৮৫টি সমাধান করা হয়েছে। নাগরিকদের কাছ থেকে ৯৩১টি অভিযোগ এসেছে। এরমধ্যে ৫২৮টির সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। সি-ভিজিল-এর মাধ্যমে কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ১ হাজার ৪৬১টি অভিযোগ জমা পড়েছে, যার মধ্যে ৯০৪টি ক্ষেত্রে সমস্যার নিষ্পত্তি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত পুলিশ এবং আয়কর দপ্তর ৬.৪২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে।