এনপিপিএর নির্দেশ জারির পর আমদানিকারী/উৎপাদক/সরবরাহকারীদের পক্ষ থেকে এন-৯৫ মাস্কের দাম কমানো হচ্ছে

0
335
Mask
Mask

ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (এনপিপিএ)–র নির্দেশ জারির পর আমদানিকারী/উৎপাদক/সরবরাহকারীদের পক্ষ থেকে এন-৯৫ মাস্কের দাম কমানো হচ্ছে

By PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৫ মে, ২০২০


কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৫’র অত্যাবশ্যক পণ্য আইনের আওতায় এন-৯৫ মাস্ককে অত্যাবশ্যক সামগ্রী হিসাবে বিজ্ঞাপিত করেছে। এই প্রেক্ষিতে গত ১৩ই মার্চ এক বিজ্ঞাপ্তি জারি করে বলা হয় এন-৯৫ মাস্কের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি আইনত অপরাধ। অত্যাবশ্যক পণ্যের অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি ঠেকাতে এনপিপিএ ২০০৫ – এর জাতীয় বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় সমস্ত রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সার্জিকাল ও প্রোটেক্টিভ মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং দস্তানা মজুত রাখার পরামর্শ দেয়। এনপিপিএ – এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট পণ্যের প্যাকেটের গায়ে লেখা ন্যূনতম খুচরো মূল্যের বেশি যেন দাম কোনোভাবেই ধার্য করা না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে বলা হয় ।এদিকে দেশে এন-৯৫ মাস্কের অবৈধ মজুত, কালোবাজারি ও ভিন্ন ভিন্ন মূল্য নির্ধারণের ব্যাপারে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই প্রেক্ষিতে এনপিপিএ সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ড্রাগ কন্ট্রোলার বা ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। কেন্দ্রের এই নির্দেশের প্রেক্ষিতে রাজ্যগুলির ড্রাগ কন্ট্রোলার কার্যালয় একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুতদারি ও কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে অত্যাবশ্যক পণ্য আইনের আওতায় উপযুক্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে।

ইংরাজি দৈনিক টাইমস্ অফ ইন্ডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, সরকারি সংগৃহীত মূল্যের তুলনায় এনপিপিএ এন-৯৫ মাস্কের ক্ষেত্রে তিন গুণ বেশি দাম স্থির করেছে। অবশ্য, এনপিপিএ – এর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই খবর সম্পূর্ণ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, প্রকাশিত খবর সম্পূর্ণ অসত্য, পক্ষপাতমূলক এবং বিভ্রান্তিকর। এনপিপিএ-এর পক্ষ থেকে জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী এন-৯৫ মাস্ক উৎপাদক বা আমদানিকারকরা ৪৭ শতাংশ পর্যন্ত দাম কমিয়েছে। অন্যান্য উৎপাদক সংস্থাগুলিও সরকারি নির্দেশ মেনে বৃহত্তর জনস্বার্থে দাম কমাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here