হারামে খাইয়ে জাতি কে কর্ম বিমুখ করার চক্রান্ত বন্ধ হোক ।

0
370
Sajdah - The submission #faith #submission #sajdah #sajda When soul believes body bow downs before all mighty. The ultimate submission. A man on wheel chair bow down to All Mighty THE.
Sajdah - The submission #faith #submission #sajdah #sajda When soul believes body bow downs before all mighty. The ultimate submission. A man on wheel chair bow down to All Mighty THE.

হারামে খাইয়ে জাতি কে কর্ম বিমুখ করার চক্রান্ত বন্ধ হোক

করোনা এক ভয়ানক পরিস্থিতি সন্দেহ নেই এবং সারা পৃথিবী আক্রান্ত, মানুষ অসহায় । কিন্তু বিপদ মরণে নয়, বিপদ জীবনে । মরতে তো একদিন হবে ই , সে রোগেই মরো ,আর ভোগেই মরো । কিন্তু বিপদ হলো রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের বাজার ভালো রাখার জন্য হারামে খাওয়ানোর আয়োজন করছে আর লোভাতুর ক্ষুদার্থ মানুষ গুলো আল্লাহদে আটখানা , ফ্রি খাওয়া পেলে কে আর কাজ করে ।

এ এক ভয়ানক ভবিষতের ইঙ্গিত , একবার বসে খাওয়ার আদত হয়ে গেলে, কোনো জাতি আর উঠে দাঁড়ায় না । খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চয় থাকার দরকার , অসুস্থ ,বৃদ্ধ বা নিদারুন সংকটে পড়া মানুষ নিশ্চয় খাদ্য সহায়তা পাক , কিন্তু কাজের বদলে অর্জন করলে সম্মান ও শরীরের জন্য দুই দিক থেকে ভালো হতো ।

জাতি গত ভাবে পাঞ্জাবি শিখদের দেখবেন , ভিক্ষা করা তাদের স্বভাবে নেই । তাই তারা এতো কঠোর পরিশ্রমী । অথচ তাদের লঙ্গরে হাজার হাজার লোক খেতে যায় । কোনো বাছ বিচার নেই , সেবা ই লক্ষ্য । আর আমরা দুধ বেচে মদ খাই। স্কুল থেকে মদের দোকানের সংখ্যা অনেক বেশি জাতীয় অনুপ্রেরণায় , জিডিপি বাড়ছে আর দেশ চলছে টলমলে পায়ে। ফ্রী পেলে আমরা বিষ ও দু বার খাই ।

এক দিদি এলেন, বিদগ্ধ কিছু তাত্বিক নেতাদের হটিয়ে , অনুপ্রেনার এমন বন্যা উন্নয়ন দেখলো, যে বাংলা চারশো বছর এগিয়ে গেলো । টাইম মেশিনে চড়ে দেখতে হবে , সাদা চোখে নীল আর সাদা দেখবেন ।

আজ যে দেশে দু দেয়ালের পুরুষদের মুত্রালয় করতেও মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণা লাগে , তবে কাটমানি আর দুর্নীতি কি বিনা অনুপ্রেরণায় চলে ?
২ টাকা কিলোর চাল চাইনা, চাই অক্সফোর্ড কেম্ব্রিজ বা হার্ভার্ডের থেকেও ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান । টুকরে টুকরে নয়, সোনার টুকরো ছেলে মেয়ে বেরোবে , তাদের কেউ হবে রামানুজ কি রামন , রবীন্দ্রনাথ বা মুন্সী প্রেমচাঁদ । জ্ঞান বিজ্ঞানে হবে সেরা , সৃষ্টি করবে অমর সাহিত্য সস্তার রগ রগে বটতলার সাহিত্য নয় ।

আসবে আবার পঙ্কজ মল্লিক , হেমন্ত ,মান্না ,সলিল শ্যামলরা । সন্ধ্যা, আরতি, গীতা বা লতা সুরের জাদুতে মাতাবে মন । ভীমসেন বা বিসমিল্লাহ কি রবিশঙ্কর, আবার বাজাবেন নতুন প্রজন্মের উদয় শঙ্করের নটরাজের সাথে ।

উৎপল বা শম্ভূ কিংবা শিশির , অজিতেশ টক্কর দেবেন, নতুন সৌমিত্র বা রুদ্র প্রসাদের সাথে ।

মোদিজী দয়া করে ভারতের অর্থ ব্যবস্থা থেকে হারামে খাওয়া ও বিনা পরিশ্রমে পাইয়ে দেয়ার স্কিম সব বন্ধ করুন ।

সেনা বা আধা সেনার সাথে ২ বছর কাজ না করলে কোনো ডিগ্রী বা সরকারি বা বেসরকারি কোনো কাজ পাবে না । আধার কার্ড নয় দেশ ভক্তির মানদন্ডে বিবেচিত হোক যোগ্যতা । এমন কি রাজ্নৈতিক কর্মী হতে গেলে ৫ বছর আর্মি বা সমতুল দেশ সেবার অভিজ্ঞতা জরুরি অথবা আন্তর্জাতিক পর্যায় কোনো প্রফেশনাল কাজের অভিজ্ঞতা আবশ্যিক হয় উচিত । ন্যাতা দের নেতা হবার কোনো রাস্তায় যেন না থাকে । যে অঞ্চলের মানুষ অযোগ্য কে নির্বাচিত করবে তাদের পাঁচ বছরের জন্য সকল সরকারি সুবিধা বন্ধ । আর যে বিধায়ক বা সংসদ ভালো কাজ করবে ,সেই অঞ্চলের মানুষ পাবে এক্সট্রা পয়েন্ট সরকারি স্কিম গুলিতে ।

এই ভাবে নির্বাচনে যোগ্য লোক আনার ইন্সেন্টিভ থাকলে মানুষ বিনা অনুপ্রেণায় নির্বাচন করবে । অবশ্যই ভোট দিতে হলে গ্রাজুয়েট ও ২ বছর আর্মিতে কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বাপ্ মায়ের আনন্দে জন্মালেই ভোট দেয়ার অধিকার বন্ধ হোক । অযোগ্যের ভোট দানের অধিকার খর্ব হোক । কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি ভোটের গণতন্ত্র প্রয়োজন । এবং প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ভোটার থাকার যোগ্যতাও প্রমান করা প্রয়োজন।

না হলে জঞ্জালের ঠ্যালায় গণতন্ত্র শুওরের শোকেসে পরিণত হবে ক্রমশ ।

ক্রিমিনাল কেস থাকলে যদি টিকেট পায় তবে সেই রাজনৈতিক দল ৫ বছর কোনো নির্বাচন এ যোগ দিতে পারবে না ।

ডাক্তার বা স্বাস্থ্য কর্মী নির্যাতনকারী যাবজ্জীবন কারাবাসি হবে।

সরকারি সম্পত্তি ধংস করি ও লুঠকারীর ফাঁসি হোক প্রকাশ্যে ।

ভালো শিক্ষকদের মাইনে হোক সর্বোচ্চ আমলাদের থেকে বেশি । কিন্তু অযোগ্য শিক্ষক কে নিয়োগকারীদের ফাঁসি দেয়া হোক।দেশ নতুন করে গড়া হোক , ফাঁকা স্লোগান নয় , লাইন আর মিছিল ভরানো জনতা নয় চাই কোয়ালিটি পিপল ।

জন্মালেই অধিকার জন্মায় না , যোগ্যতার মাধ্যমে অধিকার অর্জন করা দরকার । সংরক্ষণ নয় জাতের ভিত্তিতে দরকার মেধার ভিত্তিতে সংরক্ষণ ।
দল বাড়ানো শুওরের বাচ্ছা নয় বরং প্রয়োজন নেতার মতো নেতা পাক্কা বাঘের বাচ্ছা যেমন ছিলেন ,আছেন , থাকবেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস ।
তাই হারামে খাওয়ার না খাইয়ে , তৈরী হোক নতুন স্কুল , হাসপাতাল, ফ্যাক্টরি আর কাজ করে দেশ খাদ্য সুরক্ষা নিজেই নিজের জন্য নিশ্চিত করুক । না হলে ২টাকা কিলোর মলত্যাগ চলতেই থাকবে আর দেশ ও শৌচালয়ের বেশী এগোবে না । স্যার, আমার মনে হয়- একদিনের বা একমাসের আহার না দিয়ে এমন দান করা উচিত যা ব্যক্তির জীবন ও জীবিকা গড়ে দেবে।

ব্যক্তি যেন বাকি জীবন স্বাভিমানের সঙ্গে বাঁচতে পারে।

তবেই হবে জয় হিন্দ না হলে যায় হিন্দ।