দেশের আইন কখনই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজুহাত হতে পারে না

0
275
US Dollar
US Dollar

দেশের আইন কখনই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অজুহাত হতে পারে না

By PIB Kolkata

নতুন দিল্লি,  ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

অ্যামেনেস্টি ইন্টার ন্যাশনালের গৃহীত অবস্থান ও বিবৃতি দুর্ভাগ্যজনক, অতিরঞ্জিত এবং অসত্য।

বিষয়টির প্রকৃত তথ্য নিম্নরূপ : 

অ্যামেনেস্টি ইন্টার ন্যাশনালকে কেবলমাত্র একবার ২০ বছর আগে ২০০০ সালের ১৯শে ডিসেম্বর বিদেশী অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইনের আওতায় আর্থিক অনুদান গ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তার পর থেকে অ্যামেনেস্টি ইন্টার ন্যাশনাল একাধিকারবার আবেদন করলেও সরকার বিদেশী অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইনে তা প্রত্যাখান করে দেয়। কারণ এই প্রতিষ্ঠানটি এই ধরণের অনুমোদন পাওয়ার যোগ্য নয়। 

তবে, বিদেশী অনুদান (নিয়ন্ত্রণ) আইন (এফসিআরএ) নিয়ম লঙ্ঘন করে ব্রিটেনের অ্যামেনেস্টি ভারতের নিবন্ধীত চারটি প্রতিষ্ঠানে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ হিসেবে প্রচুর পরিমাণে অর্থ পাঠায়। এফসিআরএ-র অধীনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমোদন ছাড়াই ভারতের অ্যামেনেস্টিতে প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক অর্থ পাঠানো হয়েছিল। এই অর্থ পাঠানোর বিষয়টি পুরোপুরি আইন বিরোধী। 

অ্যামেনেস্টির এই অবৈধ কার্যকলাপের কারণে পূর্ববর্তী সরকারও বিদেশ থেকে অ্যামেনেস্টির আর্থিক তহবিল পাওয়ার আবেদন প্রত্যাখান করে দিয়েছিল। সেই সময় ভারতে অ্যামেনেস্টির কার্যকলাপ একবার স্থগিত করেও দেওয়া হয়। 

এর পরেও অ্যামেনেস্টি মানবিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজকর্মের বিষয়ে বিভ্রান্তমূলক বিবৃতি ও নানারকম অসত্য কথা বলে সাধারণ মানুষের মনসংযোগ ঘুরিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করে চলেছে। কিন্তু এগুলি সবটাই ভারতীয় আইনের পরিপন্থী। বিগত কয়েক বছর ধরে যে অনিয়ম ও অবৈধ কার্যকলাপ ঘটেছে তার ওপর একাধিক সংস্থা তদন্ত চালাচ্ছে। অ্যামেনেস্টি ভারতে অন্যান্য সংস্থার মতো মানবিক স্বার্থমূলক কাজ নিখরচায় চালিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তবে, দেশে নিষ্পত্তিমূলক আইন অনুসারে বৈদেশিক আর্থিক অনুদানের সাহায্যে পরিচালিত কোনো সংস্থার বিষয়ে দেশীয় রাজনৈতিক বিতর্কে হস্তক্ষেপে অনুমতি দেওয়া হয় না। এই আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য এবং এটি অ্যামেনেস্টি ইন্টার ন্যাশনালের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। 

ভারতে সমৃদ্ধশালী, মুক্ত সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে বহু ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা এবং প্রাণবন্ত অভ্যন্তরীণ বিতর্কের ঐতিহ্য রয়েছে। ভারতের জনগণ বর্তমান সরকারের ওপর অভূতপূর্ব আস্থা রেখেছে। স্থানীয় নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে অ্যামেনেস্টি ব্যর্থ হয়েছে, তাই তাদের ভারতের গণতান্ত্রিক ও বহু ভাষাভাষী মানুষের বিষয়ে কোনোরকম মন্তব্য করার অধিকার নেই।