বারাণসীতে খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের খাদি প্রদর্শনীর সূচনা ; কাশ্মীর ও উত্তরাখন্ড থেকে পার্বত্য এলাকার মধু এবং উলের পসরা প্রচারের আলোয়

0
378
Pashmina
Pashmina

বারাণসীতে খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশনের খাদি প্রদর্শনীর সূচনা ; কাশ্মীর ও উত্তরাখন্ড থেকে পার্বত্য এলাকার মধু এবং উলের পসরা প্রচারের আলোয়

By PIB Kolkata

নয়াদিল্লী, ২২ নভেম্বর, ২০২০

খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশন (কেভিআইসি) বারাণসীতে রাজ্যস্তরীয় খাদি সামগ্রী এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। এই প্রদর্শনীতে অভিনব খাদি সামগ্রী যেমন জম্মু ও কাশ্মীরের উচ্চ পার্বত্য এলাকা থেকে সংগৃহিত মধু, রেশমের তৈরি কারু শিল্প, তুলো ও উলের পোশাক এবং ভেষজ ওষুধ স্থান পেয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রী বিনয় কুমার সাকসেনা আজ এই প্দর্শনীর  সূচনা করেন। পশ্চিমবঙ্গ সহ ৮টি রাজ্য থেকে শতাধিক খাদি শিল্পী প্রদর্শীতে ৯০টির বেশি স্টল দিয়েছেন। কোভিড-১৯ লকডাউনের পর কমিশনের এটি এ ধরণের দ্বিতীয় প্রদর্শনী। আগামীকাল ২২ নভেম্বর থেকে ১৫ দিন অর্থাৎ ৭ই ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। গত অক্টোবর মাসে লকডাউন পরবর্তী সময়ে লক্ষ্ণৌতে প্রথম খাদি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। বারাণীর এই খাদি প্রদর্শনীতে যেসমস্ত পণ্য সামগ্রী আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে তারমধ্যে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক খাদি প্রতিষ্ঠানের উপাদিত ও সংগৃহীত উঁচু পার্বত্য এলাকার মধু, কাশ্মীরি উল ও শল প্রভৃতি। কাশ্মীরের পাশাপাশি উত্তরাখন্ডের উঁচু ও দূর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে সংগৃহিত মধু প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। এই মধু বারাণসীর বহু গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। অধিকাংশ সময়েই সাধারণ গ্রাহক দূর্গম পার্বত্য এলাকা থেকে সংগৃহিত মধুর স্বাদ থেকে বঞ্চিত থাকেন। এই প্রদর্শনীর গ্রাহকদের কাছে পার্বত্য এলাকার মধু সংগ্রহের সুযোগ এনে দিয়েছে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও মৌ-পালকদের উচ্চ পার্বত্য এলাকায় আরও বেশি পরিমাণে মধু সংগ্রহ ও উৎপাদনের পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সারা বিশ্বজুড়ে পার্বত্য এলাকার মধুর বিপুল চাহিদা রয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে কমিশন কাশ্মীরের উচ্চ পার্বত্য এলাকায় স্থানীয় যুবক-যুবতীদের মধু উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে কয়েক হাজার মৌমাছি-বাক্স সরবরাহ করেছে। প্রদর্শনীতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মসলিন ফ্যাব্রিকজাত সামগ্রী, জম্মু ও কাশ্মীরের পশমিনা শল, পাঞ্জাবের কটি শল, কানপুরের চর্মজাত সামগ্রী, রাজস্থানের টেরাকোটা এবং রাজস্থান থেকে ভেষজ ওষুধপত্র স্থান পেয়েছে। এই খাদি সামগ্রীগুলি গ্রাহকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রদর্শনী থেকে খাদি ও প্রস্তুত করা পোশাকে কেনাকাটায় ৩০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। 

কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রী সাকসেনা বলেছেন বারাণসীতে রাজ্যস্তরীয় খাদি প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্দেশ্য হল আত্মনির্ভর ভারত গঠনের লক্ষ্যে খাদি শিল্পী যাদের কাছে চরকা রয়েছে তাদের আরও বেশি পরিমাণ উপাদনের সুযোগ করে দেওয়া যাতে উপার্জন আরও বৃদ্ধি পাই। তিনি বলেন, খাদিজাত সামগ্রীর প্রসার ঘটলে তা পক্ষান্তরে ভোকাল ফর লোকাল উদ্যোগকে আরও গতিশীল করবে।