ভারতে গত ২০ দিন ধরে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা নতুন করে আক্রান্তের তুলনায় বেশি

0
121
coronavirus-diagnostics-market
Coronavirus-diagnostics-market


ভারতে গত ৭ দিন ধরে প্রতি ১০ লক্ষে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা অন্যতম সর্বনিম্ন

PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ২৭ জানুয়ারি, ২০২১

ভারতে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যার তুলনায় বেশি। গত ২০ দিন দৈনিক-ভিত্তিতে আক্রান্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি রয়েছে।

দেশে আজ মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৩০৫।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ১৩ হাজার ৩২০ জন রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। জাতীয় স্তরে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৬.৯১ শতাংশ। দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৬৮৯। এর ফলে, আজ পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার ৪৯৮।

দেশে মোট আক্রান্তের কেবল ১.৬৫ শতাংশই সুস্পষ্টভাবে করোনায় আক্রান্ত।

ভারতে গত ৭ দিনে প্রতি ১০ লক্ষে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৬৯, যা বিশ্বে অন্যতম সর্বনিম্ন।

কেন্দ্রীয় সরকারের অতিসক্রিয় ও সুপরিকল্পিত কৌশল গ্রহণের ফলেই করোনা মোকাবিলায় এই আশাপ্রদ সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে। একইভাবে, টেস্ট, ট্র্যাক, ট্রিট কৌশল গ্রহণের ফলে দ্রুত নমুনা পরীক্ষা, নজরদারি এবং আক্রান্তদের খুঁজে বের করা সম্ভব হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত প্রশাসনগুলির নিরন্তর অগ্রাধিকারের ফলেই হাসপাতালগুলিতে পরিষেবার মান বেড়েছে, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা উন্নত হয়েছে এবং রোগীদের সময় মতো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রশাসনের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যায় ভেন্টিলেটর, পিপিই কিট, ওষুধপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী রয়েছে। এছাড়াও, আশা কর্মীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার ফলেই রোগীদের শারীরিক অবস্থার ওপর নজর রাখা সম্ভব হচ্ছে। এমনকি, যাঁরা হোম আইসোলেশনে রয়েছেন, তাঁদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ই-সঞ্জিবনী ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টেলিমেডিসিন পরিষেবা রোগীদের কাছে সাফল্যের সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া গেছে। কোভিড বহির্ভূত জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবাও এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সমান অগ্রাধিকার পেয়েছে। আইসিইউ-এর দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের দক্ষতার মান বাড়াতে কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত জাতীয় স্তরে ই-আইসিইউ পরিষেবা শুরু হচ্ছে। এই পরিষেবার মাধ্যমে নতুন দিল্লির এইমস্‌ – এর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন।

দেশে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত কোভিড-১৯ টিকাকরণ কর্মসূচির আওতায় ২০ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৮০ জঙ সুফলভোগীকে টিকা দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১৯৪টি টিকাকরণ পর্বে ৫ হাজার ৬৭১ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৫৭২টি টিকাকরণ পর্ব আয়োজিত হয়েছে।

ক্রমিক সংখ্যারাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটিকা গ্রহিতা সুফলভোগীর সংখ্যা
   
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ২,৩৬৯
অরুণাচল প্রদেশ৭,৩০৭
অন্ধ্রপ্রদেশ১,৫৬,১২৯
আসাম১৯,৮৩৭
বিহার৮৮,৪৫০
চন্ডীগড়১,৯২৮
ছত্তিশগড়৪০,০২৫
দাদরা ও নগর হাভেলী৩৪৫
দমন ও দিউ৩২০
১০দিল্লি৩৩,২১৯
১১গোয়া১,৭৯৬
১২গুজরাট৯১,৯২৭  
১৩হরিয়ানা১,০৫,৪১৯  
১৪হিমাচল প্রদেশ১৩,৫৪৪
১৫জম্মু ও কাশ্মীর১৬,১৭৩
১৬ঝাড়খন্ড১৮,৪১৩
১৭কর্ণাটক২,৩১,৬০৭
১৮কেরল৭১,৯৭৩
১৯লাদাখ৬৭০
২০লক্ষাদ্বীপ৬৭৬
২১মধ্যপ্রদেশ৬৭,০৮৩
২২মহারাষ্ট্র১,৩৬,৯০১
২৩মণিপুর২,৪৮৫
২৪মেঘালয়২,৭৪৮
২৫মিজোরাম৪,৮৫২
২৬নাগাল্যান্ড৩,৬৭৫
২৭ওডিশা১,৭৭,০৯০
২৮পন্ডিচেরী১,৮১৩
২৯পাঞ্জাব৩৯,৪১৮
৩০রাজস্থান১,৬১,৩৩২
৩১সিকিম১,০৪৭
৩২তামিলনাডু৭৩,৯৫৩
৩৩তেলেঙ্গানা১,৩০,৪২৫
৩৪ত্রিপুরা১৯,৬৯৮
৩৫উত্তর প্রদেশ১,২৩,৭৬১
৩৬উত্তরাখন্ড১৪,৫৪৬
৩৭পশ্চিমবঙ্গ১,২২,৮৫১  
৩৮অন্যান্য৪৩,৬৭৫
  মোট২০,২৯,৪৮০

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় আরোগ্য লাভকারীদের ৮৪.৫২ শতাংশই ৯টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাসিন্দা। কেরল থেকে একদিনেই সর্বাধিক ৫ হাজার ২৯০ জন আরোগ্য লাভ করেছেন। মহারাষ্ট্রে সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ১০৬ জন। অন্যদিকে, কর্ণাটকে সুস্থতার সংখ্যা ৭৩৮।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্তদের ৮৪.৭৩ শতাংশই ৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। কেরল থেকে একদিনেই সর্বাধিক ৬ হাজার ২৯৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৪০৫। কর্ণাটকে আক্রান্তের সংখ্যা ৫২৯।

দেশে ঘত ২৪ ঘন্টায় করোনাজনিত কারণে মৃতদের মধ্যে ৮৩.৯৪ শতাংশই ৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। কেরলে মারা গেছেন ১৯ জন এবং ছত্তিশগড়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।

ভারতে গত ৭ দিনে প্রতি ১০ লক্ষে কেবল ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।