সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী পুলিশি নিরাপত্তা ও গাড়ি ছাড়লেন – রাজনৈতিক সন্ন্যাস নয় নতুন উদ্যমে ফিরে আসার সংবদ্ধ প্রস্তুতি সিদ্দিকুল্লাহ্ সাহেবের

0
2215
Siddiqullah Chowdhury at Mongolkote Constituency
Siddiqullah Chowdhury at Mongolkote Constituency
0 0
Azadi Ka Amrit Mahoutsav

InterServer Web Hosting and VPS
Read Time:8 Minute, 50 Second

মানুষের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার স্বার্থে রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী পুলিশি নিরাপত্তা ও গাড়ি ছাড়লেন

ফারুক আহমেদ

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনকল্যাণ ও গ্রন্থগার দফতরের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী জানালেন, “মঙ্গলকোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের নিরাপত্তা ও তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখার স্বার্থে রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে আমার যে পুলিশি নিরাপত্তা ছিল তা আমি ছেড়ে দিয়েছি। এমন কি সরকারি গাড়িও আমি আর ব্যবহার করছি না।”

রাজ্যের সাধরণ মানুষ বিশেষত আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া তাদেরকে রাজনৈতিক কারণে জীবন দিতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা আজ সঙ্কটের মুখে। সংবিধানের চতুর্থ স্থম্ভ বলে পরিচিত সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিককুলও আজ আর রেহাই পাচ্ছে না। এক ধরনের ভয়ের পরিবেশ চারপাশ ঘিরে ধরেছে। নিরাপত্তা আজ যেন কারো নেই। তাই মন্ত্রী হিসেবে সরকার থেকে পাওয়া সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরীর নিজস্ব পুলিশি নিরাপত্তা তা তিনি ছেড়ে দিয়েছেন। এমন কি সরকারি গাড়িও তিনি আর ব্যবহার করছেন না। সাধারণ মানুষের স্বার্থে তিনি আজীবন লড়াই করছিলেন এবং আগামী দিনেও তিনি তাই করবেন।

পশ্চিমবাংলার এই মুহূর্তে মানুষের কল্যাণে প্রকৃত নেতা সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী জাতীয়স্থরে প্রকৃত মানুষের নেতা হিসেবে মর্যাদা পাচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালিত মন্ত্রীপরিষদের কোনও মন্ত্রী এতো সাহস এর আগে দেখাতে পারেন নি। পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে মানুষের কল্যাণে তিনি প্রকৃত নেতা হিসেবে চিহ্নিত হলেন। সিদ্দিকুল্লাহ্ চৌধুরী মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এই মহৎ কাজ করেছেন তাই এলাকার মানুষের কাছে তিনি শ্রদ্ধাশীল হয়ে বিশেষ জায়গা অর্জন করলেন। অবশ্য এবার মানুষে কাছে দরদী মন্ত্রী হিসেবে তাঁর গুরুত্ব আরও বেড়ে গেল। তবে দলের প্রতি তাঁর আনুগত্য ছিল প্রশ্নাতীত তবু তিনি দলের কর্মীদের অসভ্য আচরণে ব্যতীত হয়েছেন। দল থেকে তিনি নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিলেন। এখন দেখার তিনি দল ত্যাগ করবেন কি না তা সময় বলবে।

অন্যদিকে একটু আআলোকপাত করছি এক পরিসংখ্যানে প্রকাশ, ঋণের দায়ে গত তিন বছরে ৩৮ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। দৈনিক ৩৫ জন কৃষক আত্মহত্যা করছেন। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে আত্মহত্যার ঘটনা ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আন্না হাজারে বলেন, ‘মোদি সরকার কৃষকদের কল্যাণে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে, যদিও লাভজনক প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় এসেছে। কৃষকদের চেয়ে শিল্পপতিদের নিয়ে মোদি সরকার বেশি চিন্তিত।গণতন্ত্রে সরকারের চাবি থাকে জনতার হাতে এবং তাদের সরকারকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শিক্ষা দেয়া উচিত।দেশের কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। তারা ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পাওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। কৃষকরা জমিতে সেচের জন্য সস্তা মূল্যে বিদ্যুৎ ও পানি পাচ্ছে না, খালে পানিও সরবরাহ হচ্ছে না।’তিনি সরকারের কাছে কৃষি কমিশন গঠন করে তাকে সাংবিধানিক মর্যাদা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন। আন্না হাজারে কৃষকদের বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ২৩ মার্চ থেকে দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করলেন।দুর্নীতির সাম্প্রতিক ঘটনার উল্লেখ করে আন্না হাজারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করে বলেন, ‘মোদি নিজেই বলেছিলেন, ‘না খাউঙ্গা, না খানে দুঙ্গা’ (নিজেও ঘুষ খাব না, কাউকে খেতেও দেবো না) কিন্তু দুর্নীতির ঘটনা একনাগাড়ে প্রকাশ্যে আসছে। এরফলে তার কাজকর্মের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।এখন মানুষের সচেতন হওয়ার সময়। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন সরকারকে নির্বাচিত করা উচিত যারা সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করবে।’
কেন্দ্রীয় সরকার জনলোকপাল বিল দুর্বল করেছে বলেও আন্না হাজারে মন্তব্য করেন। আন্না হাজারে কেন্দ্রীয় সরকারকে ‘কৃষকবিরোধী সরকার’ বলে অভিহিত করেছেন। তার ওই মন্তব্যের সঙ্গে আমরা সহমত পোষণ করছি। তিনি যথার্থ এবং সঠিক কথাই বলেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার কৃষকবিরোধী, আমজনতাবিরোধী সরকারে পরিণত হয়েছে। আমরা দেখছি প্রত্যেকদিন ৩৫ জন কৃষক আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন। ঋণের দায়ে গত তিন বছরে ৩৮ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে আত্মহত্যার ঘটনা ৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সরকারকে তো কৃষকবিরোধী সরকার বলতেই হয়। এই সরকারের আমলে একেরপর এক ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতের কেন্দ্র সরকার জনবিরোধী সরকার।
বাংলায় নতুন সূর্য ওঠার ডাক দিচ্ছেন দলিত-সংখ্যালঘু নেতারা। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও দলিত ইস্যু নিয়ে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর পদক্ষেপের ভূয়ষি প্রশংসা করছেন সংখ্যালঘু ও দলিত সম্প্রদায়। ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস বুরো এক রিপোর্টে প্রকাশ, বিগত দশ বছরে দলিত নির্যাতনের ঘটনা ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি ১৫ মিনিটে ১টি করে অপরাধমূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে দলিতদের বিরুদ্ধে। দেশে দলিতদের উপর নির্যাতনের ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে দিন দিন ক্ষোভ বাড়ছে দলিতদের মনে। সেই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার, বঞ্চনা ও বৈষম্যের ঘটনাও চরমহারে বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতে। প্রতিদিন দলিতের ৬ জন নারী ধর্ষিতা হন। বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিতে দলিত ও সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা অনেক বেশি। “লাভ জেহাদ”, “গো রক্ষা”-র নামে অসহায় সাধারণ মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করা হচ্ছে। যা চোখে দেখা যায় না, এই সব দৃশ্য  আদিভারতবাসীদের চোখে জল আনছে।
এসসি-এসটি আইন পরিবর্তন ও দলিত-সংখ্যালঘু নিপীড়নের প্রতিকার করতে কলকাতার রাজপথে মহামিছিল ও প্রতিবাদসভার ডাক দিয়েছে দলিতরা। আগামী ২৮ এপ্রিল বিভিন্ন দলিত, আদিবাসী ও সংখ্যালঘু সংগঠন নেতৃত্ব দেবে এই মহামিছিল ও প্রতিবাদসভার।

About Post Author

Editor Desk

Antara Tripathy M.Sc., B.Ed. by qualification and bring 15 years of media reporting experience.. Coverred many illustarted events like, G20, ICC,MCCI,British High Commission, Bangladesh etc. She took over from the founder Editor of IBG NEWS Suman Munshi (15/Mar/2012- 09/Aug/2018 and October 2020 to 13 June 2023).
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
Advertisements

USD





LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here