ফিরে দেখা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দর্শন এবং জনসঙ্ঘের লক্ষ্য আর তৃতীয় মোদী সরকারের ভবিষ্যৎ

0
298
PM Modi - tribute to Dr Shyama Prasad Mukherjee
PM Modi - tribute to Dr Shyama Prasad Mukherjee
0 0
Azadi Ka Amrit Mahoutsav

InterServer Web Hosting and VPS
Read Time:19 Minute, 0 Second

By Suman Munshi

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দর্শন এবং জনসঙ্ঘের লক্ষ্য:

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দর্শন:

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ, যিনি ভারতীয় জনসঙ্ঘ (বর্তমান ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল একটি হিন্দু রাষ্ট্র গঠন করা যেখানে ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করা যাবে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে ভারতের আত্মপরিচয় তার হিন্দু সংস্কৃতির মধ্যে নিহিত এবং এই ধারণা ছিল তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি।

জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠা এবং লক্ষ্য:

১৯৫১ সালে ড. মুখোপাধ্যায় জনসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি ছিল একটি রাজনৈতিক দল যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার পরিবর্তে একটি সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদকে সমর্থন করে। জনসঙ্ঘের লক্ষ্য ছিল:

  • হিন্দুত্বের প্রচার: জনসঙ্ঘ হিন্দু সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে ভারতের মূল শক্তি হিসাবে বিবেচনা করেছিল এবং দেশের ঐক্য ও সুরক্ষার জন্য এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করত।
  • এক জাতি, এক সংস্কৃতি: জনসঙ্ঘের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল যে ভারতীয় জাতীয়তা শুধুমাত্র হিন্দু সংস্কৃতির মধ্যে থেকেই সঠিকভাবে বিকশিত হতে পারে। তারা বিশ্বাস করত যে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বহুত্ববাদ একটি ঐক্যবদ্ধ জাতির গঠন প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে দেয়।
  • সংবিধানের সংশোধন: জনসঙ্ঘ চেয়েছিল ভারতীয় সংবিধানে পরিবর্তন এনে ভারতের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।

হিন্দু রাষ্ট্রের লক্ষ্যে:

ড. মুখোপাধ্যায়ের ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ গঠনের ধারণা একটি সাংস্কৃতিক রাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করত যা হিন্দু সংস্কৃতি এবং নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত হবে। তাঁর মতে:

  • জাতীয় ঐক্যের গুরুত্ব: তিনি বিশ্বাস করতেন যে একটি শক্তিশালী জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার জন্য হিন্দু সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে কেন্দ্রীয় অবস্থানে রাখতে হবে।
  • ধর্মনিরপেক্ষতার পুনর্বিবেচনা: ড. মুখোপাধ্যায় মনে করতেন যে ধর্মনিরপেক্ষতা ভারতের মূল চেতনার বিপরীত। তাঁর মতে, ভারতের সংস্কৃতির মধ্যে থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা তুলে ধরে সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখা উচিত।

জনসঙ্ঘ থেকে বিজেপি:

ড. মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পরও তাঁর দর্শন ও আদর্শের প্রভাব জনসঙ্ঘের মধ্যে রয়ে গেছে এবং পরবর্তীতে বিজেপি হিসেবে উদ্ভাসিত হয়েছে। বর্তমান বিজেপি, যা বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল, অনেকাংশে ড. মুখোপাধ্যায়ের প্রাথমিক ধারণা এবং লক্ষ্যগুলিকে অনুসরণ করে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা, জনসঙ্ঘের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করার প্রচেষ্টা, এবং সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের প্রভাব ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে এবং এখনও প্রাসঙ্গিক।

মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা পূরণের জন্য করণীয়:

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন ছিল একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গঠন করা যেখানে হিন্দু সংস্কৃতি ও নীতিমালা প্রাধান্য পাবে। মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে, এই লক্ষ্যে পৌঁছাতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি নেওয়া যেতে পারে:

১. সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ:

  • হিন্দু সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রচার: ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, শিক্ষার মাধ্যমে সংস্কৃতির প্রচার এবং ঐতিহ্যবাহী শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এই প্রচেষ্টা ভারতকে তার প্রাচীন গৌরবের সঙ্গে সংযুক্ত করতে সহায়ক হবে।
  • প্রচলিত ভাষা ও সাহিত্যকে উত্সাহিত করা: সংস্কৃত, পালি এবং অন্যান্য প্রাচীন ভাষার প্রচার ও সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। এর মাধ্যমে ভারতের শাস্ত্র, সাহিত্য এবং ঐতিহাসিক জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

২. শিক্ষা ও নৈতিকতা:

  • ভারতীয় মূল্যবোধ-ভিত্তিক শিক্ষা: শিক্ষাব্যবস্থায় এমন একটি কাঠামো তৈরি করা উচিত যা ভারতীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে। প্রাচীন ভারতীয় জ্ঞান ও দর্শনকে পাঠ্যক্রমের অংশ করা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা ভারতের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হবে এবং তাদের মধ্যে একটি শক্তিশালী জাতীয় চেতনা গড়ে উঠবে।
  • নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়ন: শিক্ষাব্যবস্থায় নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও প্রাধান্য দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা ভারতীয় সমাজের নৈতিক ও নীতিগত হতে পারে।

৩. ধর্মীয় ও জাতিগত সংহতি:

  • ধর্মীয় উৎসব ও ঐতিহ্যের সুরক্ষা: সরকারকে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং ঐতিহ্যগুলিকে সমর্থন ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। এতে ভারতের ধর্মীয় বৈচিত্র্য বজায় থাকবে এবং জাতীয় ঐক্য শক্তিশালী হবে।
  • ধর্মনিরপেক্ষতার পুনর্বিবেচনা: ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ পুনরায় বিশ্লেষণ করা যেতে পারে যাতে এটি ভারতের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। এতে সমস্ত ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে, কিন্তু হিন্দু সংস্কৃতির মূল মূল্যবোধগুলি কেন্দ্রে থাকবে।
৪. আঞ্চলিক উন্নয়ন ও কশ্মীর সমস্যা সমাধান*: ড. মুখোপাধ্যায় কশ্মীরের পূর্ণ সংহতির পক্ষে ছিলেন। ২০১৯ সালে মোদি সরকারের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পদক্ষেপটি এই লক্ষ্য পূরণের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ ছিল। ভবিষ্যতে, সরকারের উচিত কশ্মীরের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত করা।
  • সীমান্ত এলাকার উন্নয়ন: সীমান্ত অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সুরক্ষা জোরদার করতে সরকারকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। এতে ভারতের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে।

৫. অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন:

  • আত্মনির্ভর ভারত: ভারতীয় উৎপাদন ও শিল্পকে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগগুলিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এতে ভারতের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং স্থানীয় শিল্পগুলির বিকাশ ঘটবে।
  • সামাজিক কল্যাণের প্রসার: জনসঙ্ঘ এবং বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা আদর্শ অনুযায়ী, সমাজের প্রতিটি স্তরে কল্যাণমূলক উদ্যোগগুলি প্রসারিত করা উচিত। বিশেষ করে, কৃষক, শ্রমিক এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারের উচিত উন্নয়নমূলক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া।

৬. আইন ও শাসন:

  • বিশেষ আইন ও সংবিধান সংশোধন: ভারতীয় সংবিধানের এমন কিছু ধারাকে পুনর্বিবেচনা করতে হবে যা দেশ সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এর মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার সংজ্ঞা এবং কিছু সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থাগুলি পুনর্বিবেচনা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
  • ন্যায়বিচারের কার্যকারিতা: ভারতের আইন ও বিচারব্যবস্থার কার্যকারিতা এবং গতিশীলতা বাড়াতে আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, যাতে ন্যায়বিচার সবার জন্য সহজলভ্য হয়।

পিওকে (পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর) এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দৃষ্টি

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতীয় রাজনীতির অন্যতম শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব এবং হিন্দু সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ ও ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতার দৃঢ় সমর্থক। তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি এবং লক্ষ্যগুলি বিশেষভাবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) সম্পর্কেও প্রাসঙ্গিক ছিল। পিওকে সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টি এবং মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে এর উপর বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা যাক।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দৃষ্টি:

১. কাশ্মীরের সম্পূর্ণ একীকরণ:

  • ড. মুখোপাধ্যায় বিশ্বাস করতেন যে কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ভারতের অখণ্ডতার জন্য এর সম্পূর্ণ সংহতি অপরিহার্য। তিনি কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন এবং ৩৭০ ধারা বাতিলের পক্ষে ছিলেন যা কাশ্মীরকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের থেকে আলাদা রাখত।
  • তিনি কাশ্মীরে এক দেশ, এক সংবিধান, এক পতাকা নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন এবং কাশ্মীরকে ভারতের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে একীভূত করার জন্য সংগ্রাম করেছিলেন। ১৯৫৩ সালে, কাশ্মীরে তাঁর রহস্যজনক মৃত্যু তাঁর এই বিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

২. পিওকে পুনরুদ্ধার:

  • ড. মুখোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন যে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) ভারতের অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। তাঁর মতে, পাকিস্তান কর্তৃক কাশ্মীরের একটি অংশের দখল বেআইনি এবং ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি।
  • তিনি কাশ্মীরের পূর্ণাঙ্গ অধিকার অর্জনের জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালাতে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং পিওকে পুনরুদ্ধারের প্রতি তাঁর দৃঢ় সমর্থন ছিল।

মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে পিওকে সম্পর্কিত পদক্ষেপ:

মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি নেওয়া যেতে পারে:

১. কূটনৈতিক উদ্যোগ:

  • আন্তর্জাতিক মঞ্চে পিওকে বিষয়টি উত্থাপন: মোদি সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক মঞ্চে পিওকে বিষয়ে আলোচনা বৃদ্ধি করা। পাকিস্তানের বেআইনি দখল এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন।
  • দ্বিপাক্ষিক আলোচনা: পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা শুরু করে পিওকে পুনরুদ্ধারের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করা যেতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পাওয়া সহজ হবে।

২. অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ:

  • সীমান্ত সুরক্ষা উন্নত করা: পিওকে নিয়ে সম্ভাব্য সংঘর্ষের জন্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর প্রস্তুতি বাড়ানো উচিত। সীমান্ত এলাকায় শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার, যা দেশের নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে।
  • সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠোর পদক্ষেপ: পিওকে থেকে পরিচালিত হওয়া সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়ক হবে।

৩. কাশ্মীরের উন্নয়ন ও সংহতি:

  • অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন: কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য সরকারের উচিত আরও বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা। এতে কাশ্মীরের জনগণ আরও অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে এবং কেন্দ্রের সঙ্গে সংহতি বাড়বে।
  • সাংস্কৃতিক সংহতি জোরদার করা: কাশ্মীরের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ঐক্যকে উৎসাহিত করতে সরকারি উদ্যোগগুলি বাড়ানো উচিত, যা পুরো ভারতের সঙ্গে কাশ্মীরের মানসিক সংহতি শক্তিশালী করবে।

৪. আইনগত পদক্ষেপ:

  • সংবিধানিক পরিবর্তন: ৩৭০ ধারা বাতিলের পর, সরকার কাশ্মীরের বাকি সংবিধানগত বিষয়গুলি সমাধান করতে পারে যা পিওকে পুনরুদ্ধারের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিক হতে পারে।
  • বিতর্কিত এলাকাগুলিতে শক্তিশালী আইন প্রয়োগ: কাশ্মীরের বিতর্কিত এলাকাগুলিতে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা দরকার যাতে সেখানকার নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।

উপসংহার:

মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদ ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা ও লক্ষ্যগুলি পূরণ করার একটি বড় সুযোগ হতে পারে। ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি ও নীতিগুলিকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ রাষ্ট্র গঠন করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রয়োজন। এটি না শুধুমাত্র ভারতের ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করবে, বরং একটি সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের জন্যও ভিত্তি স্থাপন করবে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হিন্দু রাষ্ট্রের স্বপ্ন এবং জনসঙ্ঘের ভূমিকা আজকের ভারতীয় রাজনীতিতে এবং বিজেপির দর্শনে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে। তাঁর সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের ধারণা এখনও অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এবং তা ভারতের ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি বিশাল ভূমিকা পালন করতে পারে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, পিওকে ভারতের সঙ্গে একীভূত করার প্রচেষ্টা মোদি সরকারের তৃতীয় মেয়াদে একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হতে পারে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, এবং কাশ্মীরের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে ভারতের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করে মোদি সরকার ড. মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নকে পূর্ণতা দিতে পারে এবং ভারতের জাতীয় ঐক্য ও নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে পারে।

উৎস:

*** Published under freedom of expression and IBG NEWS neither agree nor disagree with the view expressed in the article.***

About Post Author

Editor Desk

Antara Tripathy M.Sc., B.Ed. by qualification and bring 15 years of media reporting experience.. Coverred many illustarted events like, G20, ICC,MCCI,British High Commission, Bangladesh etc. She took over from the founder Editor of IBG NEWS Suman Munshi (15/Mar/2012- 09/Aug/2018 and October 2020 to 13 June 2023).
Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %
Advertisements

USD





LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here