Madhusudan Biswas on hunger strike at Jantar Mantar at New Delhi for total ban of Plastic & Thermocol

0
561
AsstTeacher - No Plastic at Jantar Mantar
AsstTeacher - No Plastic at Jantar Mantar

Mr.Madhusudan Biswas a lone fighter for his cause sat on hunger strike at Delhi Jantar Mantar to get the attention of New Delhi Administration for total ban on use of plastic and thermocol products in any form.

By profession Mr. Biswas is a Geography Teacher with Tribal High School at South Dinajpur of West Bengal.

Earlier he has made such protest at North 24 Pargana district magistrate.

AsstTeacher - No Plastic
AsstTeacher – No Plastic

Original Report By Hirak Mukherjee of Biswa Bangla News.

হীরক মুখোপাধ্যায় (৩ অক্টোবর ‘১৭):– প্লাস্টিক ও থার্মোকল নিষিদ্ধ দেশ গড়ার দাবীতে গতকাল থেকে দিল্লীর যন্তরমন্তর প্রাঙ্গনে অনশনে বসলেন পশ্চিমবঙ্গের দঃ দিনাজপুর জেলার জনৈক শিক্ষক মধুসূদন বিশ্বাস ৷

মধুসূদনবাবু দঃ দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত জামালপুর হিলি-র মানিকো আদিবাসী হাইস্কুলের ভূগোলের শিক্ষক ৷

মধুসূদনবাবু গান্ধিজীর জন্মদিনে বেলা এগারোটা থেকে অনশনে বসলেও এখনো পর্যন্ত দিল্লী প্রশাসনের কেউই তাঁর সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ করেননি বলে অভিযোগ মধুসূদনবাবুর ৷

মধুসূদনবাবু এই অনশনে বসার আগে দিল্লীর লেফটন্যাণ্ট গভর্নর , পুলিস কমিশনার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীকেও এ বিষয়ে সূচিত করেছিলেন ৷

আজ এক সাক্ষাৎকারে শিক্ষক মধুসূদন বিশ্বাস জানান ” আমি মূলতঃ কয়েকটা দাবীর পরিপ্রেক্ষিতেই এই অনশনে বসেছি ৷
আমি চাই ভারত সরকার এই দেশ থেকে চিরতরে প্লাস্টিক ও থার্মোকলজাত সামগ্রী উতপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করুক ৷
কেননা উতপাদন হলে কেউনা কেউ কিনবেনই , ওভাবে ব্যবহারের ওপর অঙ্কুশ লাগানো যায়না ৷
এর সাথে সাথে আমি আরও দাবী করছি দেশে প্লাস্টিক নির্মিত যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য যেমন কাপ-গ্লাস থেকে শুরু করে ক্যারি ব্যাগ ও থলেরও উতপাদন ও ক্রয় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হোক ৷
আমার ব্যক্তিগত কোনো প্রয়োজনে আমি এই দাবী তুলে অনশনে বসিনি ৷দেশেরই ভালোর জন্য আমি অনশনে বসেছি ৷
আমি আশা করবো কেন্দ্রীয় সরকার ও প্রধানমন্ত্রী যখন স্বচ্ছ ভারত অভিযান-এর কাজ করছেন, তখন আমার এই সামান্য দাবীকেও তাঁরা অবশ্যই মান্যতা দেবেন ৷”

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখ্য মধুসূদনবাবু এর আগেও পশ্চিমবঙ্গের বুকে দুবার একই বিষয়ে অনশনে বসেছিলেন ৷

আজ দূরভাষে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মধুসূদনবাবু জানান ” আমি যখন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সদর বারাসাতের বুকে অনশনে বসেছিলাম তখন বারাসাতের মহকুমা শাসক আমাকে বলেছিলেন — এটা দিল্লীর বিষয় , এখানে আমাদের কিছু করার নেই ৷ আপনাকে কিছু বলতে গেলে দিল্লী গিয়েই বলতে হবে ৷

তাই আমি এবার পুজোর ছুটিতে দিল্লীতে এসে অনশনে বসলাম ৷”

মধুসূদনবাবুর এই সরল স্বীকারোক্তি সংবাদমাধ্যমে প্রচার হতেই ঘোরতর বিড়ম্বনায় পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন ৷
শীর্ষস্থানীয় আমলারা পরিস্কার বলছেন ” ওই আধিকারিক ভুল বলেছিলেন ৷ এটা বলা ঠিক হয়নি ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের চোখ রূপে প্রত্যেক জেলায় আছেন জেলাশাসক ও জেলা সমাহর্তা ৷ তাঁকে জানিয়ে মধুসূদনবাবুর বিষয়টা দিল্লীর গোচরে অবশ্যই আনা যেত ৷ এভাবে ওঁনাকে ভুল বুঝিয়ে দিল্লীতে অনশনে বসানোর উস্কানি দেওয়াটা আধিকারিকের কাজে গাফিলতিরই পরিচায়ক ৷”

অন্যদিকে মধুসূদনবাবুর দিল্লীতে গিয়ে অনশনে বসার মূল কারণটা জানতে পেরে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ কার্যালয়ের পক্ষ থেকে টিপ্পনী কেটে বলা হয় ” দিদিমনি যে কী ঢপের নির্মল বাংলা বানাতে চাইছেন , তা আধিকারিকদের ব্যবহার দেখেই বোঝা যাচ্ছে ৷

মধুসূদনবাবুর অনশনকে ঘিরে যখন বাংলায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাজিয়া শুরু হয়েছে তখন যন্তরমন্তর প্রাঙ্গনের ভেতর মাটিতে বসে ভূগোলের শিক্ষক আক্ষেপ করলেন ” আমি তো কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য বা কোনো বেসরকারী সংগঠনের সদস্য নই , তাই আমার লোকবলও নেই ৷ সরকার যদি দেশের ভালোর জন্য আমার দাবীগুলোকে মন্যতে দেন তবে আমার যেমন ভালো লাগবে, তেমন দেশেরও মঙ্গল হবে ৷ নির্মাণ হবে দূষণমুক্ত এক স্বচ্ছ ভারত ৷”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here