Dr Amit Mitra slams the Centre, says it is doing nothing about debt-ridden States

0
1151
Amit Mitra
Amit Mitra

Dr Amit Mitra slams the Centre, says it is doing nothing about debt-ridden States

Dr Amit Mitra slams the Centre, says it is doing nothing about debt-ridden States

“The state is debt-ridden and heading towards a fiscal crisis. But Parliament is doing nothing about it.” He added that the Centre’s denial of help was “sad and shocking”, reacting to Arun Jaitley’s comment, West Bengal Finance Minister Dr Mitra said.  “The comment was made in such a light manner that we and the people of Bengal are shocked. As we cannot take any loan without the permission of the Central government, the Centre cannot avoid its responsibility as far as repayment of the loan is concerned”, he said.

“You will be surprised to know that in the last five years between 2011-2016 the Centre has deducted Rs 1,41,00 crore,” Dr Mitra said.

Dr Mitra was criticising Union finance minister Jaitley’s comment at Lok Sabha who said one should take as much loan as one can repay. Jaitley was replying to AITC MP Abhishek Banerjee’s speech who insisted on the restructuring of the loan taken by West Bengal. “The burden of loan that we are carrying has been done by the previous Left Front government. These loans taken during the Left Front reign have started to mature and between 2011/12- 2015/16 financial year we had to pay 42312 crore as repayment of principal and interest. In the next five years between 2017-22 we will have to pay nearly only one lakh crore as interest and if we consider loan plus principal then it will reach 253910 crore,” Dr Mitra added

Referring that the state is going to take another Rs 1000 crore in August Dr Mitra told the media at state headquarters that the Government in the last five years have taken little more than Rs 113000 crore as loan from the market and out of that Rs 94000 crore has gone only for the repayment of loans. We could only take Rs 18000 crore for the development of the state. We are going into a debt trap. The Centre can give 10 lakh dollars to IMF for restructuring of loans for Greece but they won’t do anything for debt-ridden states. This is really unfortunate. If we have used our full potential then our GDP would have been four times and we could do a lot more for the development of the state,” Dr Mitra added.

 

ঋণগ্রস্ত রাজ্যগুলিকে সাহায্য করছে না কেন্দ্র – সমালোচনায় অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র 

লোকসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির রাজ্যের ঋণ মকুবের আর্জি খারিজ করে দেওয়ার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র শুক্রবার নবান্নে বলেন, “রাজ্য এখন ঋণগ্রস্ত, বাম আমলের ঋণের বোঝায় জর্জরিত এবং  ক্রমশ এই পরিস্থিতি রাজস্ব সংকটের দিকে এগোচ্ছে। কিন্তু সংসদ এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না”। তিনি আরো বলেন যে “কেন্দ্র আমাদের সাহায্য করতে অস্বীকার করেছে এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখের”।

তিনি বলেন, “যেহেতু কেন্দ্রের অনুমতির সাপেক্ষেই রাজ্য ধার নিতে পারে।তাই অনুমতি দেওয়া মানেই কেন্দ্রীয় সরকারেরও একটা দায়িত্ব থেকে যায়। তাই এভাবে তারা তাদের দায়িত্বভার এড়াতে পারেন না”।

ডঃ মিত্র বলেন, “আপনি জানলে অবাক হবেন যে গত পাঁচ বছরে শুধুমাত্র ২০১১–১২ সাল থেকে ২০১৫–১৬ সালের মধ্যে ধার শোধ করতে দিতে হয়েছে ১ লক্ষ ৪১ কোটি টাকা”।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার লোকসভায় অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ নিয়ে আলোচনায় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার নামে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, আগামী ৫ বছরে আসল ও সুদ মিলিয়ে কেন্দ্র সরকার ট্রেজারি থেকে কেটে নেবে ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এই টাকা যদি থাকত, তাহলে উন্নয়নের দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ দেশে এক নম্বর হত। যুক্তরাষ্ট্র পরিকাঠামোয় রাজ্যের আর্থিক দুরবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে কেন্দ্রের সাহায্য করা উচিত।

তিনি আর বলেন, “২০১১–১৬ সালে বর্তমান সরকার মাত্র ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। তার ঋণ পরিশোধ করতেই চলে গেছে ৯৪ হাজার কোটি টাকা। বছরে ৪ হাজারেরও কম কোটি টাকা ধার নিয়েছে তৃণমূল সরকার। এই সমস্ত টাকা যদি রাজ্য সরকারের হাতে থাকত, ঋণের ফাঁদে না জড়িয়ে পড়তে হত, তাহলে শিল্পের প্রসারের ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে যেত রাজ্য। কারণ শিল্পোন্নয়নের জন্য যে পরিকাঠামোর প্রয়োজন তা অনায়াসে তৈরি করে ফেলতে পারত রাজ্য। যদি বকেয়া ঋণ বইতে না হতো, তা হলে রাজ্যের উৎপাদন (জিডিপি) চার গুণ বেড়ে যেত।’’