প্রখ্যাত লেখক ও প্রাবন্ধিক আবদুর রাউফ প্রসঙ্গে কিছু কথায় তাঁর আত্মজীবনী লেখার অনুরোধ
একরামূল হক শেখ
তখন মাত্র দু-একবার কলেজ স্ট্রীট এসেছি। ‘প্রমা’ প্রকাশনী থেকে সংগ্রহ করি ‘স্বাধীনতা-উত্তরপর্বে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান’। পড়ে ফেলি এক নিঃশ্বাসে… এবং আবেগময় মুগ্ধতার এক বড় চিঠি লিখি লেখকের ঠিকানায়। বিস্ময়ের কথা লেখকের প্রত্যুত্তরও আসে। এখনও স্মরণে আছে, তিনি খুবই খুশি হয়েছিলেন এবং আনুরোধ করেছিলেন চিঠি একটু ছোট করে লিখতে। তাঁর পত্রের প্যাডটি ছিল ‘চতুরঙ্গ’ পত্রিকার। জানলাম হুমায়ূন কবির ও আতাউর রহমান প্রতিষ্ঠিত ওই পত্রিকার সম্পাদক তিনি। সেই থেকে চতুরঙ্গের সঙ্গে আমার সখ্যতা ও ভালোবাসা। এবং নিজের দেখার ক্ষুদ্রতাকে স্বীকার করেও বলতে আগ্রহি আমার পড়া বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পত্রিকা এটি।
পরে আমি যখন সুরাটে থাকতে শুরু করি সেখানেও পৌঁছে যেত চতুরঙ্গ। বাবরি মসজিদের ধ্বংশ পরবর্তী সুরাটের ভয়ংকর দাঙ্গার সময় চতুরঙ্গ দপ্তর থেকে চিঠি লিখে আমার সুস্থতার খবরও নিয়েছিলেন শ্রী মেঘ মুখোপাধ্যায়।কলকাতায় ফিরে এলে ‘সাহিত্যসঙ্গে চতুরঙ্গ’ নামে এক নিবন্ধ ‘নতুন গতি’ পত্রিকায় লিখি। সম্পাদকের সঙ্গে পত্রিকা দপ্তরে দেখা হয় এবং সেখান থেকে তাঁর বাসায় যাতায়াত শুরু। এবং একটু কম হলেও এখনও সেই সম্পর্ক চলমান।














