প্রসবের পর পোস্টপার্টুম প্রিকল্যাম্পসিয়া সম্পর্কে সতর্ক না হলে মায়েদের প্রাণ সংশয় হতে পারে
এম রাজশেখর (১৮ নভেম্বর ‘১৯):- “প্রসবের পর ‘পোস্টপার্টুম প্রিকল্যাম্পসিয়া’ সম্পর্কে সতর্ক না হলে মায়েদের প্রাণ সংশয় হতে পারে”, বলে জানালেন ‘এপোলো গ্লেনেগল্স হসপিটাল’-এর জনৈক স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
জনৈক বিদ্যালয় শিক্ষিকা সোমা সিং (৩৫)-এর কাহিনী বলতে গিয়ে চিকিৎসক জানান, “মূলতঃ যেসব মহিলার প্রথম সন্তান দেরীতে হয়, যাঁদের গর্ভে যমজ সন্তান থাকে বা যাঁদের আগে থেকেই হাইপার টেনশন থাকে তাঁদের ক্ষেত্রে ‘পোস্টপার্টুম প্রিকল্যাম্পসিয়া’ হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।
এইসব ক্ষেত্রে প্রসবের কয়েক ঘণ্টা পর মায়ের শরীরে রক্তচাপ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হয়, চিকিৎসকেরা এই দশাকে তখন ‘সাব এরাচনয়েড হেমারেজ’ বলে চিহ্নিত করে থাকেন।
মায়ের মস্তিষ্কে হয়ে চলা এই রক্তক্ষরণ-কে অতি দ্রুততার সাথে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মায়ের মৃত্যু হতে পারে।”
প্রসঙ্গতঃ বলে রাখা ভালো, গত মাসের ২৫ তারিখ সোমা সিং কোনো এক নার্সিংহোমে যমজ কন্যা সন্তান প্রসব করেন। প্রসবের চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা পরেই সোমাদেবীর শরীরে তীব্র খিঁচুনি শুরু হয়। সেই খিঁচুনি ও সোমাদেবীর শারীরিক অবস্থার ক্রমাবনতি রোধ করতে না পেরে একসময় ওই নার্সিংহোম সোমা সিং-কে জীবনদায়ী চিকিৎসা প্রদান করার জন্য তাঁর পরিজনদের অন্য কোনো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
পরে ২৫ অক্টোবর সোমাকে এপোলো গ্লেনেগল্স-এ নিয়ে আসা হয়। সেখানে ৫ দিন আইসিসিইউ ও ২ দিন ক্লিনিক্যাল কেয়ার ইউনিট-এ থাকার পর সোমা ছুটি পান।
সোমা আজ চিকিৎসকের কাছে দেখাতে এলে ‘এপোলো গ্লেনেগল্স হসপিটাল’-এর তরফ থেকে জনস্বার্থে এই তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে।













