Tuesday, September 29, 2026
WA
Home Bangla প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে

0
519
আবাসন এবং নগর উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর
আবাসন এবং নগর উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর

প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে- আবাসন এবং নগর বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর

By PIB Kolkata

নয়াদিল্লি,  ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

স্বচ্ছতা স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জের বিজয়ীদের কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগর বিষয়ক দপ্তর নতুন দিল্লিতে গতকাল এক অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করেছে। আবাসন এবং নগর উন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর, ভারতে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মাননীয় ইমানুয়েল লেনঁ, আবাসন এবং নগর বিষয়ক দপ্তরের সচিব শ্রী মনোজ যোশী, মন্ত্রকের পদস্থ আধিকারিকগণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিকাশী সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টার্টআপের প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে শ্রী কৌশল কিশোর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী স্বচ্ছ ভারত মিশন- নগর (এসবিএম)চালুর ফলে জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যেই কেবল রূপান্তরিত করা হচ্ছে তাই নয়, বর্জ্য বিহীন নগর গড়ে তোলা ছাড়াও বিপুল পরিমান কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তা প্রভূত সাহায্য করছে।

মন্ত্রী জানান, স্বচ্ছতা স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জের অধীন যে ৩০টি স্টার্টআপকে নির্বাচিত করা হয়েছে তাদের মধ্যে প্রথম ১০টি ফরাসী সরকারের স্টার্টআপ প্রসারের ক্ষেত্রে একটি উদ্যোগ ফ্রেঞ্চ টেক থেকে ২৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাবে। বাকি ২০টি স্টার্টআপ ভারত সরকারের কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পাবে।

প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে- আবাসন এবং নগর বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর
প্রধানমন্ত্রীর স্বচ্ছ ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী জন-আন্দোলনের চেহারা নিয়েছে- আবাসন এবং নগর বিষয়ক দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্রী কৌশল কিশোর

এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে স্টার্টআপের প্রসার মেক ইন ইন্ডিয়া লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ শ্রী কৌশল কিশোর জানান।

পুনর্ব্যবহৃত পণ্যে বাজারজাতকরণের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, এইসব পণ্যের বাজারজাতকরণ এবং তা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি স্টার্টআপকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় ভাষা ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে গ্রামীণ এলাকায় এইসব পণ্যের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য স্টার্টআপগুলিকে তিনি পরামর্শ দেন।

স্বচ্ছ ভারত মিশন- নগর যা কেন্দ্রীয় আবাসন এবং নগর বিষয়ক মন্ত্রক রূপায়ণের দায়িত্ব নিয়েছে, এরফলে স্টার্টআপগুলিকে উৎসাহদান এবং উদ্ভাবনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আঞ্চলিক ক্ষেত্রে উদ্ভাবন, রূপায়ণযোগ্য সমাধান সূত্র, ব্যবসায়িক মডেল এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যে রূপান্তরকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক স্বচ্ছ ভারত মিশন- নগরের অধীন ২০২২এর জানুয়ারি থেকে স্বচ্ছতা স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জের সূচনা করেছে। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও শিল্প প্রসার দপ্তর (ডিপিআইআইটি) এজেন্সি ফ্রান্সেস দ্য ডেভেলপমেন্ট (এএফডি) যৌথ সহযোগিতায় এটি চালু করা হয়। চ্যালেঞ্জের মূল লক্ষ্য হল ভারতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে উদ্যোগের প্রসারে সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা। ২০২১এর ডিসেম্বরে চালু হওয়া স্বচ্ছ প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে আবাসন ও নগরোন্নয়ন কর্তৃপক্ষ মূল উদ্যোগ হাতে নেয়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, নাগরিক সমাজ সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে নিয়ে নিকাশী ক্ষেত্রে অংশীদারদের প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাধান সূত্র বের করার জন্য প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জের উদ্যোগ। প্রযুক্তি চ্যালেঞ্জে যে সমস্ত স্টার্টআপগুলি জয়ী হয়েছিল তাদেরকে ২০২২এর জানুয়ারিতে পরবর্তী স্বচ্ছতা স্টার্টআপ অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। নিকাশী এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত সংস্থাগুলি কাজ করছে স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জ তাদেরকে যেসব ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায় তা হল ১) সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, ২) কোনো বর্জ্য জমিয়ে না রাখা, ৩) প্লাস্টিক মুক্ত ব্যবস্থাপনা এবং ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বচ্ছতা প্রদান। মোট ২৪৪টি উদ্যোগী স্টার্টআপ এই ক্ষেত্রে নাম লেখায়। নির্বাচক মন্ডলী তার মধ্য থেকে ৩০টি স্টার্টআপকে চিহ্নিত করে। এই নির্বাচক মন্ডলীর মধ্যে ছিলেন অগ্রণী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিল্প, সরকারি সংস্থা এবং ইনকিউবেটরদের থেকে ২০ জন সদস্য। বর্জ্য সংগ্রহ, তা বাছাই, তা স্থানান্তরে নিয়ে যাওয়া এবং সেক্ষেত্রে মূল্য আরোপের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় সমাধান সূত্র চালুর জন্য নির্বাচিত ৩০টি স্টার্টআপ বর্জ্য মূল্য শৃঙ্খল রচনার কাজ করে। বস্ত্রশিল্পের ক্ষেত্রে বর্জ্য, কৃষি এবং খাদ্য বর্জ্য, নির্মাণ ক্ষেত্রে এবং কোনো কিছু ভাঙার ক্ষেত্রে বর্জ্য এই যাবতীয় ক্ষেত্রের বর্জ্যকে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ভারতে বর্জ্যকে বিশ্বস্তরে পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্যে রূপান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যবসায়িক মডেলের এক বিরাট সক্ষমতা রয়েছে এবং তা বৃহৎ সংখ্যক মানুষকে মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Adblocker detected! Please consider reading this notice.

We've detected that you are using AdBlock Plus or some other adblocking software which is preventing the page from fully loading.

We don't have any banner, Flash, animation, obnoxious sound, or popup ad. We do not implement these annoying types of ads!

We need money to operate the site, and almost all of it comes from our online advertising.

Please add https://www.ibgnews.com to your ad blocking whitelist or disable your adblocking software.

×
Verified by MonsterInsights