
১৩৫তম ইন্ডিয়ানঅয়েল ডুরান্ড কাপে কলকাতার ম্যাচে ডিজিটাল এম-টিকিটেই সরাসরি স্টেডিয়ামে প্রবেশের সুবিধা
অনন্তরা ত্রিপাঠী | আইবিজি নিউজ
কলকাতা, ২৩ জুলাই ২০২৬: ১৩৫তম ইন্ডিয়ানঅয়েল ডুরান্ড কাপ উপলক্ষে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। ডুরান্ড কাপ অর্গানাইজিং কমিটি (DCOC) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় কলকাতায় অনুষ্ঠিত সব ম্যাচের জন্য চালু করেছে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ম্যাচ-ডে এন্ট্রি ব্যবস্থা, যার ফলে অনলাইনে টিকিট কেনা দর্শকদের আর আলাদা করে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে না।
এই নতুন উদ্যোগের ফলে ২৪ জুলাই থেকে কলকাতার ডুরান্ড কাপের যে কোনও ম্যাচের জন্য অনলাইনে টিকিট ক্রয়কারী দর্শকরা শুধুমাত্র তাদের এম-টিকিট (M-Ticket) দেখিয়েই নির্ধারিত প্রবেশদ্বার দিয়ে সরাসরি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবেন।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তর এবং ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ড. ইন্দ্রনীল খান। তাঁর উদ্যোগেই টিকিট যাচাই ও প্রবেশ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, দ্রুত এবং দর্শকবান্ধব করা হয়েছে।
এর আগে অনলাইনে টিকিট ক্রয়কারী দর্শকদের ম্যাচের আগে নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকে শারীরিক টিকিট সংগ্রহ করতে হতো। নতুন ব্যবস্থায় সেই অতিরিক্ত ধাপ তুলে দেওয়া হয়েছে, ফলে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষার প্রয়োজনও থাকবে না। ডিজিটাল টিকিট দেখিয়েই সরাসরি স্টেডিয়ামে প্রবেশ করা যাবে।
ডুরান্ড কাপের সূচনা কলকাতা ডার্বি দিয়ে
১৩৫তম ইন্ডিয়ানঅয়েল ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল এফসি এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। এই বহুল প্রতীক্ষিত কলকাতা ডার্বির মধ্য দিয়েই শুরু হবে বিশ্বের প্রাচীনতম ফুটবল প্রতিযোগিতার নতুন সংস্করণ।
পাঁচ শহরে ৪৩টি ম্যাচ
২৫ জুলাই থেকে ২৩ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এবারের ডুরান্ড কাপ অনুষ্ঠিত হবে পাঁচটি আয়োজক শহরে—
- কলকাতা
- রাঁচি
- গুয়াহাটি
- শিলং
- ইম্ফল
প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট ২৪টি দল, যার মধ্যে একটি বিদেশি দল হিসেবে অংশগ্রহণ করবে শ্রীলঙ্কা সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিদল। পুরো টুর্নামেন্টে অনুষ্ঠিত হবে ৪৩টি ম্যাচ।
দর্শকবান্ধব উদ্যোগে নতুন মাত্রা
ডিজিটাল এম-টিকিট ভিত্তিক এই ব্যবস্থা ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে দর্শক পরিষেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দ্রুত প্রবেশ, কম ভিড় এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার—এই তিনের সমন্বয়ে কলকাতার ফুটবলপ্রেমীরা এবার আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করতে পারবেন এশিয়ার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ফুটবল প্রতিযোগিতার রোমাঞ্চ।












