প্রার্থনা ও প্রিয় বন্ধু
সুমন মুন্সী, কলকাতা
পাজীর পাঝাড়া আমি, নাম আমার বিল্টু,
সঙ্গে যেন দোসর আছে,আর এক পাজী অংশু ।
বন্ধু আমি খুবই ভালো, সকলে তাই জানে ।
আসল কথা লুকিয়ে রাখি,মুচকি হাসির আড়ালে ।
এক বেটা বিটলে বামুন, জ্বালাচ্ছে কয়দিন ধরে ,
ফুচকা খাবে বায়না ধরে, শিশুর ভেক ধরে ।
আধশতাব্দী প্রাচীন হলো বয়স ভারে কাত,
তবুও দেখো ফুচকা বলে, কাঁদছে দিনরাত ।
মুন্সিয়ানা আছে সাথে, কলম ভালোই চলে,
তবু দেখো, ফুচকা চেয়ে পাগল করে চলে ।
ভালো লাগে না ক্ষণে ক্ষণে, রোজ এই ন্যাকামি,
কবিতা বলে, গল্প বলে, নানান ছলে চলে মাধুকরী,
তবুও রোজ, ওর মেসেজের অপেক্ষাতেই থাকি।
কতরকম ছল চাতুরী সঙ্গে জারিজুরি,
আব্দারের রকম দেখে, সবাই হেসে লুটি ।
প্রশ্ন করি সবাই মিলে,সং সেজে কি লাভ?
উত্তরে হেসে জানায়, সে যে রসরাজ্,
নিজে কাঁদে চোখের জলে, বিষাদ সিন্ধু মাঝে,
তবুও বন্ধুরা সব ভালো থাকুক, এই আশাতেই বাঁচে।
এইটাও একটা ভান জেনো তার, মিষ্টি করে হাসে,
সুযোগ পেলেই চিমটি কাটে, চন্দ্রাকে দোসর করে ।
হাত করেছে বন্ধুদেরকে, মিষ্টি কথা বলে,
মিষ্টি মানুষ সবাই জানে, ডাক্তারও তাই বলে ।
জীবন ঘড়ির কাঁটা ঘোরে,তবু চুপ করে সে না থাকে ।
অষ্টমীর মাতৃপূজায় প্রার্থনা সে করে ,
বন্ধুরা সব ভালো থাকুক সারা জীবন ধরে ।












