Monday, October 26, 2026
WA
Home Bangla আফগানিস্তানে আবার তালিবান – বাংলার ঘরে ঘরে গোপাল পাঁঠা আবার জেগে উঠুক

আফগানিস্তানে আবার তালিবান – বাংলার ঘরে ঘরে গোপাল পাঁঠা আবার জেগে উঠুক

0
1167
Taller Buddha of Bamiyan before and after destruction by Wikipedia
Taller Buddha of Bamiyan before and after destruction by Wikipedia

আফগানিস্তানে আবার তালিবান – বাংলার ঘরে ঘরে গোপাল পাঁঠা আবার জেগে উঠুক

পাশের দেশ আফগানিস্তান তালিবানের দখলে, কাবুলিওয়ালা আর সেদেশে মিনি খোকীর প্রাণের মানুষ নয় বরং আতঙ্কের কারণ বলা হচ্ছে । বিষয়টি নিয়ে কেন চিন্তার আর প্রয়োজন সাবধানতার তা জানতে হলে ফিরে যেতে হবে ১৯৪৬ সালের এক কুখ্যাত দিনে । কোনো জারজ ঔরস জাতর জন্য এই ইতিহাস বলা নয় । তাদের তালিবানি ষড়যন্ত্রের সঙ্গী হিসাবে আগামীদিনে নিশ্চিত গলাফাটাতে দেখা যাবে।

“ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে” 16’ই আগস্ট ১৯৪৬ এই দিনটির একটি মানবতার কলংকজনক ইতিহাস আর তাকে নেহেরু ও তার তাবেদার ইতিহাসকার চক্রান্ত করে ধামাচাপা দিয়েছে আর অপদার্থ বাঙালি হিন্দুসমাজ বালির মধ্যে মুখ চাপা দিয়ে সাম্যের গান গেয়েছে ৭ ডেস্ক ধরে কমুনিস্ট ও সেকুলার প্রলাপের আরালে ।

আসুন কিছু সময় কুইজ খেলা যাক ।

কলকাতার ডাইরেক্ট একশান ডে কি?
গোপাল পাঁঠা এই নামটা শুনেছেন?
নোয়াখালী কোথায় ও কেন সেই নাম রক্তনদীর ধারায় লেখা ?
কি এমন হয়েছিল গান্ধীজি গোপাল পাঁঠার প্রশ্নের উত্তরে পালালেন কলকাতা ছেড়ে?
তিনদিন ধরে হিন্দু নিধনের যজ্ঞে কোন কোন নেতা নীরব ছিলেন?

এই প্রশ্ন না শুনে থাকলে, আপনার দোষ নয়,দোষ আমাদের কমিউনিস্ট ও জিন্নার দোসরদের লেখা স্কুলের ইতিহাস বইয়ের মিথ্যা গল্পের ।

Gopal Chandra Mukhopadhyay
Gopal Chandra Mukhopadhyay

ভারত মাতার বীর সন্তানের নাম গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায় (1913 – 2005)। যার ডাক নাম গোপাল পাঁঠা, এই নামের কারন মেডিকেল কলেজের উল্টোদিকে কলেজস্ট্রীটের গলিতে তার একটি পাঁঠা মাংসের দোকান ছিল এবং এখন সেটি একটি খাবারের দোকান হিসেবে বেঁচে আছে। হিন্দ সিনেমার কাছে গেলে অনেকেই এখন গোপাল বাবুর নাম শুনলে তিনি কে ভাবতে বসেন , যা জাতির লজ্জার কারণ, তবে সব দোকানদারই সম্মানের সাথে তাঁর বাড়ি দেখিয়ে দেন ।

সেদিন কলকাতার বুকে যে মেয়েদের ইজ্জত বেঁচেছিল, বহু অসহায় মানুষ বেঁচে ছিল তার কারণ, এই গোপাল মুখার্জী ছিলেন । আপনার পূর্বজ বেঁচে গেছেন, আপনি আছেন, আমি আছি, হাওড়া ব্রিজ আছে, টালার ট্যাঙ্কি আছে, শিয়ালদা স্টেশন আছে, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল বেঁচেছিল সেই ডাইরেক্ট একশনের কালো হাত থেকে ।

আজকের কলকাতায় বা বাংলায় ধর্মনিরপেক্ষ বুদ্ধিজীবীর দল বড় বড় লেকচার দিতে পারছেন, কারণ তিনি ছিলেন, তাই তাদের গলা অক্ষত থেকে গেছে ।

কিন্তু কিভাবে তা সম্ভব হলো ?

পিছিয়ে যাব অনেক গুলো বছর।
১৯৪৬ সাল। অবিভক্ত বাংলা, দায়িত্ব পেয়েছে মুসলিম লিগ। মুখ্যমন্ত্রী হলেন জিন্নাহের সহচর সুরাবর্দী। তিনি জিন্নার “লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান”কে বাংলায় সফল করার জন্য এক কঠিন ষড়যন্ত্র আঁটলেন।

পূর্বপরিকল্পনা মতো এক বিশাল মুসলিমলীগ সমাবেশে গোপন সড়যন্ত্র হলো ময়দানে। তার কয়েকদিন পর ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে – ১৬ আগস্ট ভোরবেলা পাকিস্তানপন্থী বৃহত্তর মুসলমান সমাজ ধর্মতলা চৌরঙ্গীতে একত্রিত হলেন।

শুরু হল নির্বিচারে গণহত্যা যা হিটলারের ইহুদি নিধনকেও লজ্জা দেবে। সাধারণ নিরীহ হিন্দু মানুষের রক্তে ভেসে গেলো কলকাতা। পার্কস্ট্রিট,রাজাবাজার,মেটিয়াব্রুজ বেলগাছিয়া আরো কত জায়গা । ঢাকা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম খুলনা কোথাও রক্ষা নেই মানুষের ।

হামলাকারীদের হুঙ্কারের শব্দে ভরে গেল চারিপাশ আর জ্বলতে থাকল হিন্দুদের সম্পত্তি। এক এক জন নারী কে ১০-১৫ জন মিলে ধর্ষণ করলো, সন্তানের সামনে মা ও ধর্ষিতা হলেন, পিতার সামনে কন্যা।

রাজাবাজারে স্কুলের সামনে চারটি মেয়েকে রেপ করে মেরে উলঙ্গ করে লটকে দেয়া হয়েছিল।সেই বিভৎসতা যে দেখেছে সেই জানে।
একই সাথে পূর্ববঙ্গের নোয়াখালিতে চলতে লাগল, অত্যাচার,মহিলাদের গনধর্ষন, শরীর থেকে স্তনের মাংস খুবলে নেয়া হল।

সারা দিন ধরে অজস্র ঘটনার ব্রিটিশ পুলিশের থানায় কমপ্লেন জমা পড়ল কিন্তু সুরাবর্দির নির্দেশে পুলিশ কোন স্টেপ নিল না। মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে তখন চললো বিলাতি মদের আসর যোগে উৎসব পাকিস্তানপন্থীদের। পাকিস্তান পন্থীদের এই নারকীয় উৎসব আবার দেখলো ওপর বাংলা ১৯৭০-৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় । ১৯৯০ এ কাশ্মীর দেখেছে হিন্দু পন্ডিতদের নিধন পাকিস্তানপন্থী জঙ্গিদের হাতে, বারবার হিন্দু মুসলিম সহ বাঙালির রক্ত ঝড়ছে পাক আফগান পন্থী হানাদার মুসলমানদের হাতে ।

এভাবে পার হয়ে গেল তিন তিনটে দিন…পরিস্থিতি একই,হিন্দুর লাশে গোটা কলকাতা ভরে গেল। ড্রেন দিয়ে বয়ে চললো রক্তের নদী , পচা লাশের গন্ধে নিশ্বাস নেয়া কঠিন।

Calcutta 1946 - Direct Action Day
Calcutta 1946 – Direct Action Day by Wikipedia

গান্ধীর কংগ্রেসের তোষন রাজনীতিই ছিল এর জন্য দায়ী আর যা পরবর্তীতে দিলো দেশ বিভাগ ।

আর এই ঘটনা যখন ঘটছে তখন, “শান্তিদূত” গান্ধী আর জহরলাল চুপ করে বসে রইলেন নীরব দর্শক হয়ে ।

কিন্তু একজন ছিলেন “ইটকা বদলা পাত্থর সে দেনা হ্যায়” বলে । তিন দিন হিন্দু হত্যার পর ক্ষেপে গেল গোপাল মুখার্জী। অস্ত্র ধরতে বাধ্য হলেন, গোপাল ও তাঁর যোগ্য সেনারা। সে এমন এক অসম লড়াই লড়ল, যে খুনি সুরাবর্দীর সমস্ত পরিকল্পনা বানচাল হয়ে গেল।

গোপাল আগে থেকেই ছিলেন প্রসিদ্ধ বিপ্লবী এবং পরবর্তীতে ঋষি অরবিন্দের ভাবশিষ্য । নেতাজি অন্তপ্রাণ ছিলেন গোপাল পাঁঠা ।

সে ছিল নির্ভিক ডাকাবুকো। একাই দশজনার সাথে লড়ার মত পেটানো শরীর ছিল তার।

৪২ এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে সে সামিল ছিল।তার কাছে বেশ কিছু অস্ত্র ছিল। কিছু পিস্তল, কিছু বোমা, কিছু সোর্ড।
কিন্তু কখনো তা কোন ক্রিমিনাল অ্যাকটিভিটিস এ ব্যবহার করেনি বা করতে দেয়নি গোপাল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় হলো কাউন্টার প্ল্যান ।

রডা কোম্পানীর বন্দুকের দোকান লুঠ করল গোপাল তার দলবলকে নিয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এদেশে আসা আমেরিকান সৈনিকদের কাছ থেকে বোতল বোতল হুইস্কির বিনিময়ে আরো কিছু অস্ত্র জোগাড় করল গোপাল। তার পর একত্রিত করল প্রায় হাজারখানেক হিন্দু ও যোদ্ধার জাত শিখ ছেলেকে।

কিন্তু তাদের কয়েকটি কড়া নির্দেশ দিল….

প্রথমত,অস্ত্রহীন মুসলমানকে মারবে না। উলটে অসহায় মুসলমান প্রোটেকশন চাইলে তাকে বা তার পরিবারকে প্রোটেকশন দেবে।

দ্বিতীয়ত মুসলিম মা বোনেদের দিকে মুখ তুলে তাকাবে না, কোনো নারী নির্যাতিতা হয় তার প্রতিবাদ করবে ।
কিন্তু অস্ত্রধারী হানাদার পাকিস্তানপন্থী মুসলমানকে ছাড়া চলবে না, একের বদলে একাধিক কবর চাই । দেশমাতৃকার সন্তানদের রক্ষা করতে হবে আর শয়তানদের নিধন । ভেবে দেখুন সেই খুনিখেলার সময়েও গোপাল বাবু অসহায় মুসলমানদের রক্ষার আবেদন রেখেছেন শুধু দাঙ্গাবাজদের হত্যার নির্দেশ দিলেন, এটা কি উদারতার বা ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিচয় নয়? কেন তাঁকে ভারতরত্ন দেয়া হলোনা স্বাধীন ভারতে?

মাত্র দু তিন দিনে গোপালের বাহিনীর হাতে এত দাঙ্গাবাজ পাকিস্তান পন্থী মুসলমান ঘাতক মরল, যে, সুরাবর্দীর দরবারে ত্রাহী ত্রাহী রব উঠে গেল। ডাইরেক্ট অ্যাকশন নিউটনের তৃতীয় সূত্রের প্রভাব হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে গেলো ।

সুরাবর্দির দল কলকাতায় আরো বারো ধ্বংসের খেলার প্ল্যান করলো ।

হরেন ঘোষ নামে এক গানের শিক্ষক ছিলেন সুরাবর্দির মেয়ের, যিনি সুরাবর্দির বাহিনীর কলকাতার মেজর পয়েন্ট গুলো বোম চার্জ করে উড়িয়ে দেবার ষড়যন্ত্র ধরে ফেললেন।সুরাবর্দীর মেয়েকে তিনি গান শেখাতেন,সেখানে ছোট্ট মেয়েটি একটি কাগজ এনে হাজির করে, যাতে সেই প্ল্যান লেখা ছিল ।

হরেন ঘোষ প্রথমে বাজে কাগজ বলে মুড়ে ফেলে দেন ।পরে সেটা নিয়ে চুপ করে গোপাল পাঁঠার কাছে তার বৌবাজারের বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সেখানে হাওড়া ব্রিজ, টালার জল ট্যাঙ্ক, ভিক্টোরিয়া, শিয়ালদা স্টেশন কিভাবে বোম মেরে উড়িয়ে দেবে তার প্ল্যান করা ছিল। গোপালের বাহিনী প্রতিটি জায়গা থেকে হামলাকারীদের হঠিয়ে দিল।পুলিশ বেগতিক দেখে সেই জায়গাগুলোর দখল নিল।

সুরাবর্দীর সন্দেহ গিয়ে পড়ল হরেন বাবুর উপর এবং তার নির্দেশে প্রান গেল সেই গরিব মাস্টারের মুসলিম গুন্ডাদের হাতে,তার শরীর কেটে ছয় টুকড়ো করা হয়। কলকাতা হরেন ঘোষ কে ভুলে গেছে । সত্যি আলোক প্রাপ্ত সাম্যবাদী বাঙালি শহীদ কে ভুলে ,হত্যাকারীকে রাজার সম্মান দেয় ।

সবাই মিলে গোপালকে হাজির করল “শান্তির দূত” গান্ধীজীর সামনে। গান্ধীজী বললেন “গোপাল আমার কাছে তুমি অস্ত্র সমর্পন করো..”
উত্তেজিত গোপাল বলল এতদিন এত হিন্দু মরছিল আপনি ঘুমাচ্ছিলেন? আমি আপনার কথা রাখতে পারব না।অস্ত্র যদি জমা দিতে হয়, তবে
নেতাজী সুভাষ যদি ফিরে আসেন তার পায়ে দেব,আপনাদের মতো (বেঈমানদের) পায়ে নয়। গান্ধীজি বুঝে গেলেন তাঁর চালাকির আর পথ নেই।
বেগতিক দেখে গান্ধী নোয়াখালী পালালো মিডিয়ার নজর কলকাতা থেকে নোয়াখালী চলে গেলো ।

চতুর সুরাবর্দী তখন আপিলের নাটক শুরু করল যে,দাঙ্গা বন্ধ কর, সবাই ভাই ভাই। ঘুমিয়ে থাকা প্রশাসন কড়া হল। ধীরে ধীরে সব হিংসা থামল।
তখনকার মতো বেঁচে গেল অর্ধমৃত কলকাতা।

কিন্তু হতভাগ্য নোয়াখালী বাঁচল না,কারন…সেখানে কোন গোপাল পাঁঠা ছিল না।

এই মানুষটি বেঁচে ছিলেন ২০০৫ সাল পর্যন্ত। তাকে সমঝে চলতেন বিধান রায় সিদ্ধার্থ রায়ের মত লোকও…
একবার কলকাতা পুলিশ তাকে দুটো রুটের ট্যাক্সি পারমিট দিতে চাইলে, তিনি বলেছিলেন, “গোপাল মুখার্জী ঘুষ নেয় না”।

দু-একজন সাহসী ব্যক্তি তাকে নিয়ে লিখতে চাইলেও সেটাকে ছাপতে দেয়া হয়নি। দালাল নেতৃত্ব ভোট সর্বস্য রাজনীতির প্যাঁচ কষে গেছে ।
তাঁকে নিয়ে বায়োপিকও হবেনা, বাঙালির টাকা নেই, আত্মসম্মানও কি নেই ? চটুল ছবির জন্য টাকা থাকে কিন্তু বাংলার মা বোনের ইজ্জত বাঁচানোর লোক প্রচারের এভাবে হারিয়ে যায় ইতিহাসে। লেট্’স চিয়ার্স ওই লিভ ইন সিটি অফ জয় ।

কিন্তু যতদিন হিন্দুস্তান থাকবে, শান্তিপ্রিয় বাঙালি আর কলকাতা থাকবে, ততদিন একটা আত্মা এখানে চিরকাল বিরাজ করবে।

গোপাল মুখার্জী ওরফে গোপাল পাঁঠা।

স্বামী আদিদেবানন্দজির লেখার সূত্র ধরে এই লেখা মানুষকে সচেতন করার জন্য। তালিবানের করাল গ্রাসে আফগানিস্তান একই রকম উন্মাদনায় আক্রান্ত জনগোষ্ঠী, ক্রমশ শক্তিবৃদ্ধি করছে আর তার গ্রাস থেকে হিন্দু মুসলিম,শিখ বা খ্রিস্টান কারো নিস্তার থাকবে না ।

ভালো কে ভালো বলুন আর দাঙ্গাবাজকে ঠেঙিয়ে ঠান্ডা করুন । দেশ বিরোধী সমাজ বিরোধী দেখলেই শক্ত হাতে আত্মরক্ষা করুন, দেশ রক্ষা করুন । আজকের দুর্বলতা আর কালকের সূর্য দেখবে না এ কথা নিশ্চিত করে বলা চলে ।

সবলের অত্যাচারের হাত থেকে দুর্বলদের বাঁচাতে,গোপাল বাবুর দেখানো রাস্তা প্রয়োজনে অনুসরণ করতেই হবে । হিন্দু, মুসলিম, শিখ সকলকে অনুরোধ ভারত রাষ্ট্রকে দুর্বল করে দেবার চক্রান্তে সামিল কোনো ব্যক্তি ,নেতা ,দল কাউকে আর ছেড়ে কথা বলার সময় ইহা নয় ।

সকল কে অনুরোধ লেখাটির সত্যতা যাচাই করে সকলকে জানান ও সচেতন হন ।

মিথ্যাচারী ইতিহাসবিদের ও তাবেদার নেতাদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য নিচে কয়েকটি সূত্র দিয়ে দেয়া হোলো,
নিরপেক্ষ অনুসন্ধান করে ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করে নিন…

সূত্র:-

  1. Times of India. 25.10.2003.
    2 The Hindu. 18.08.2014.
  2. Khan, Yasmin (2007). The Great Partition: The Making of India and Pakistan.Yale University Press. p. 66. ISBN 0-300-120788.
  3. Urban Roots of Indian Nationalism: Pressure Groups and Conflict of Interest in Calcutta City Politics, 1857-1939 (Vikas Publishing House, 1979, Delhi), p. 3.
  4. Suranjan Das. Communal Riots in Bengal (Oxford University Press, 1991), p. 22.
  5. The British Library Archives, London. See:- L/PJ/8/678.

Adblocker detected! Please consider reading this notice.

We've detected that you are using AdBlock Plus or some other adblocking software which is preventing the page from fully loading.

We don't have any banner, Flash, animation, obnoxious sound, or popup ad. We do not implement these annoying types of ads!

We need money to operate the site, and almost all of it comes from our online advertising.

Please add https://www.ibgnews.com to your ad blocking whitelist or disable your adblocking software.

×
Verified by MonsterInsights