ভারতে সিনেমা তৈরিতে গণতন্ত্রীকরণের পথ সুগম করেছে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি, অভিনেতা সইফ আলি খানের সঙ্গে আলাপচারিতায় বললেন নেটফ্লিক্সের সিইও টেড সারান্দোস
By PIB Kolkata
মুম্বই, ৩ মে ২০২৫
মুম্বইয়ে জিও ওয়ার্ল্ড সেন্টারে ওয়ার্ল্ড অডিও ভিস্যুয়াল অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট সামিট (ওয়েভস)-এর তৃতীয় দিনে অভিনেতা সইফ আলি খানের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় নেটফ্লিক্সের সহকারী সিইও টেড সারান্দোস বলেন, স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলি ভারতে সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে গণতন্ত্রীকরণের পথ সুগম করেছে।
“স্ট্রিমিং দ্য নিউ ইন্ডিয়া : কালচার, কানেক্টিভিটি অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ক্যাপিটাল” শীর্ষক এক আলোচনায় সৃজনশীলতার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা এবং আন্তর্জাতিক বিনোদন মানচিত্রে ভারতের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির ক্ষেত্রে স্ট্রিমিং-এর প্রভাব সম্পর্কে মতামত ব্যক্ত করেন তাঁরা। সারান্দোস বলেন, “কোভিড পরবর্তী পর্বে আমাদের বিনিয়োগের ফলে ভারতে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ উপার্জন হয়েছে। ভারতের ২৩টি রাজ্যের ১০০টিরও বেশি শহরে আমরা সিনেমা তৈরি করেছি এবং ২৫,০০০-এর বেশি স্থানীয় কলাকুশলীদের সঙ্গে কাজ করেছি।”

অভিনেতা সইফ আলি খান নেটফ্লিক্সের সঙ্গে তাঁর কাজের কথা উল্লেখ করে বলেন, “আগে আমাদের ধরাবাঁধা কাঠামোর মধ্যে কাজ করতে হত। স্ট্রিমিংয়ের ফলে সেই সব বাধা কাটিয়ে অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র নির্মাতারা এখন স্বাধীনতা ভোগ করছেন। এখন সারা বিশ্বের মানুষ আমাদের সিনেমাগুলি দেখতে পারছেন।”
ভারতে সিনেমার গণতন্ত্রীকরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দর্শকরা এখন যে কোনও সময়ে বিভিন্ন ধরনের সিনেমা দেখতে পারছেন এবং গল্প বলার ক্ষেত্রেও অনেক বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যাচ্ছে।
সিনেমা এবং স্ট্রিমিং-এর পারস্পরিক সহাবস্থান প্রসঙ্গে সারান্দোস বলেন, “সিনেমা এখনও বাতিল হয়ে যায়নি। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম এবং থিয়েটারগুলি পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। এরা একসঙ্গে এগোতে পারে, কারণ আমাদের সামনে অনেক বড় বাজার রয়েছে।”
ওয়েভস বিশ্বের শিল্প ও বিনোদন জগতের ব্যক্তিত্বদের এক মঞ্চে নিয়ে এসেছে, এখানে তাঁরা পারস্পরিক মতামত, উদ্ভাবন এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান করতে পারছেন।













