Saturday, October 24, 2026
WA
Home Bangla আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫

আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫

0
13
আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫
আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫

আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫

“সমবায় ক্ষমতায়ন ও সম্প্রসারণের এক বছর”

By PIB Kolkata

মূল বিষয়বস্তু

দেশজুড়ে ৮.৫ লক্ষেরও বেশি সমবায় নথিভুক্ত, যার মধ্যে ৬.৬ লক্ষ সক্রিয় – ৩০-টি ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়ে ৩২ কোটি সদস্যকে পরিষেবা দিচ্ছে; স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে ১০ কোটি নারী সমবায় ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

মোট ৭৯,৬৩০টি প্রাথমিক কৃষি ঋণ সমবায় সমিতি (PACS) কম্পিউটারাইজেশনের জন্য অনুমোদিত; ৫৯,২৬১-টি PACS বর্তমানে ইআরপি সফটওয়্যার ব্যবহার করছে; ৬৫,১৫১-টি PACS-এ হার্ডওয়্যার সরবরাহ সম্পন্ন; ৪২,৭৩০-টি PACS-এ অনলাইন অডিট সম্পন্ন; ৩২,১১৯-টি PACS ই–PACS হিসেবে সক্রিয়।

সারা দেশে ৩২,০০৯-টি নতুন বহুমুখী PACS, দুগ্ধ ও মৎস্য সমবায় নথিভুক্ত।

ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ এক্সপোর্টস লিমিটেড (NCEL) থেকে ১৩.৭৭ লক্ষ মেট্রিক টন পণ্য ৫,৫৫৬ কোটি টাকার রপ্তানি, ২৮-টি দেশে সরবরাহ; সদস্য সমবায়গুলিকে ২০ শতাংশ লভ্যাংশ প্রদান।

ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ অর্গানিক্স লিমিটেড (NCOL): ১০,০৩৫-টি সমবায় সদস্য, ২৮-টি জৈব পণ্য।

ভারতীয় বীজ সহকারি সমিতি লিমিটেড (BBSSL): ৩১,৬০৫-টি সমবায় সদস্য।

ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (NCDC): ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ৯৫,১৮৩ কোটি টাকা বিতরণ; ২০২৫–২৬ অর্থবর্ষে এখন পর্যন্ত ৯৫,০০০ কোটি টাকা বিতরণ।

বিশ্বের বৃহত্তম বিকেন্দ্রীভূত শস্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা কার্যকর: ১১২-টি PACS-এ গুদাম সম্পন্ন, ৬৮,৭০২ মেট্রিক টন সংরক্ষণ ক্ষমতা সৃষ্টি।

ভূমিকা

আন্তর্জাতিক সমবায় জোট (ICA) সমবায়কে সদস্য-মালিকানাধীন ও সদস্য-পরিচালিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে, যেখানে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লক্ষ্য যৌথভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিফলিত হয়। সমবায়ের এই বৈশ্বিক গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্রসংঘ ১৯ জুন ২০২৪-এ ২০২৫ সালকে “আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ” ঘোষণা করে। এই বর্ষের মূল ভাবনা—“সমবায় একটি উন্নততর বিশ্ব গড়ে তোলে”।

বর্ষজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ ও অর্জন

সমবায় ও তাদের সদস্যদের পরিবর্তিত প্রয়োজন মেটাতে সহযোগিতা মন্ত্রক একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক সমবায়কে আর্থিকভাবে শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করা

PACS-এ অন্তর্ভুক্তি ও সুশাসন জোরদার

রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও প্রধান সমবায় সংস্থাগুলির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সরকার মডেল উপবিধি জারি করেছে, যার মাধ্যমে PACS-গুলি ২৫-টিরও বেশি ব্যবসায়িক কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারছে। একই সঙ্গে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও মজবুত হয়েছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সমবায় ঋণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ

ভারত সরকার ২,৯২৫.৩৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে, যার মাধ্যমে কার্যকর PACS-গুলিকে কম্পিউটারাইজ করে একটি অভিন্ন ইআরপি-ভিত্তিক জাতীয় সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্মে সংযুক্ত করা হচ্ছে।

তৃণমূল স্তরে বহুমুখী সমবায় গঠন ও সম্প্রসারণ

আগামী পাঁচ বছরে দেশের সব পঞ্চায়েত ও গ্রামে বিস্তৃত সমবায় কভারেজ নিশ্চিত করতে নতুন বহুমুখী PACS, দুগ্ধ ও মৎস্য সমবায় গঠনের পরিকল্পনা অনুমোদিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে PACS-এর সংযুক্তি

একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে PACS-গুলিকে যুক্ত করা হয়েছে, ফলে, গ্রামস্তরে পরিষেবা প্রদানের লোকাল হাব হিসেবে তাদের ভূমিকা বহুগুণে বেড়েছে।

PACS-এর মাধ্যমে নতুন কৃষক উৎপাদক সংস্থা (FPO) গঠন

FPO প্রকল্পের আওতায় সমবায় ক্ষেত্রে ১,১০০টি অতিরিক্ত FPO ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনকে বরাদ্দ করা হয়েছে।

মৎস্য কৃষক উৎপাদক সংস্থা (FFPO) গঠন

মৎস্যজীবীদের বাজার সংযোগ ও প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ৭০-টি FFPO নথিভুক্ত করা হয়েছে।

বিশ্বের বৃহত্তম বিকেন্দ্রীভূত শস্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা

প্রসঙ্গত, ৩১ মে ২০২৩-এ সমবায় ক্ষেত্রে বিশ্বের বৃহত্তম শস্য সংরক্ষণ পরিকল্পনা অনুমোদিত হয় এবং পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, যাতে গ্রামস্তরে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ঘাটতি পূরণ করা যায়।

হোয়াইট রেভলিউশন ২.০

দুগ্ধ সমবায় শক্তিশালী করা, দুধ সংগ্রহ বৃদ্ধি এবং নারী ও গ্রামীণ উৎপাদকদের জন্য উন্নত জীবিকাসুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে হোয়াইট রেভলিউশন ২.০ চালু হয়েছে।

সমবায় ব্যাংক ব্যবস্থার শক্তিবৃদ্ধি

PACS-এর বাইরে সমগ্র সমবায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা জুড়ে ডিজিটাল সংস্কার সম্প্রসারিত হয়েছে, যার ফলে, একটি সমন্বিত ও স্বচ্ছ কাঠামো গড়ে উঠছে।

সমবায়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ

সমবায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা

ত্রিভুবন সহকারি বিশ্ববিদ্যালয়: সহযোগিতা মন্ত্রক

আইআরএমএ রূপান্তর করে দেশের প্রথম জাতীয় সমবায় বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে ত্রিভুবন সহকারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছে। সংশ্লিষ্ট আইন ৬ এপ্রিল ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

নতুন নথিভুক্ত PACS-এর সদস্য, সচিব ও পরিচালনা পর্ষদের জন্য ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর কো-অপারেটিভ ট্রেনিং (NCCT) এবং নাবার্ড-এর মাধ্যমে ধারাবাহিক সক্ষমতা-বৃদ্ধি কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।

জাতীয় সমবায় উন্নয়ন নিগম  (NCDC)

১৯৬৩ সালে সমবায় মন্ত্রকের অধীনে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় সমবায় উন্নয়ন নিগম (NCDC) সমবায় সমিতিগুলিকে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে। কৃষি ও অ-কৃষি উভয় ক্ষেত্রে উৎপাদন, মজুত ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তিশালী করার পাশাপাশি ডেয়ারি, মৎস্যচাষ ও হস্তশিল্পের মতো আয় বৃদ্ধিকারী প্রকল্পেও এটি সাহায্য করে। এর মূল লক্ষ্য হল, তৃণমূল স্তরে সমবায় ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

NCDC-এর নন্দিনী সহকার, স্বয়ং শক্তি সহকার, আয়ুষ্মান সহকার এবং যুব সহকারের মতো বিশেষ প্রকল্পগুলি মহিলা, যুবক, তফশিলি জাতি/ জনজাতি ও উদ্ভাবনী সমবায় সমিতিগুলিকে সহজ শর্তে ঋণ ও স্টার্ট-আপ সহায়তা প্রদান করে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৯৫,১৮৩ কোটি টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে (এখনও পর্যন্ত) ৯৫,০০০ কোটি টাকা বিতরণ করেছে এই সংস্থা; পাশাপাশি সরকার NCDC কে ২,০০০ কোটি টাকার সরকারি গ্যারান্টিযুক্ত বন্ড ইস্যু করার অনুমতিও প্রদান করেছে।

চালকদের ন্যায্য আয় এবং যাত্রীদের সাশ্রয়ী পরিষেবা দিতে আমূল, নাফেড ও নাবার্ডের মতো সংস্থাগুলির যৌথ উদ্যোগে চালু হয়েছে দেশের প্রথম সমবায়-ভিত্তিক ক্যাব পরিষেবা ‘সহকার ট্যাক্সি’। মোট ৩০০ কোটি টাকা মূলধনের এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ১.৫০ লক্ষ চালক ও ২ লক্ষ গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন এবং ট্রায়াল রানে প্রতিদিন ৫০০০-এর বেশি রাইড সম্পন্ন হচ্ছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ২০২৯ সালের মধ্যে এই পরিষেবা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জেএম পোর্টালে ‘ক্রেতা’ হিসেবে সমবায় সমিতিগুলির অন্তর্ভুক্তি
২০২২ সাল থেকে সরকারি ই-মার্কেটপ্লেস পোর্টালে সমবায় সমিতিগুলিকে ‘ক্রেতা’ হিসেবে নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, সমবায়গুলি এই প্ল্যাটফর্মের প্রায় ৬৭ লক্ষ যাচাইকৃত বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও পরিষেবা ক্রয় করতে পারছে। এ পর্যন্ত ৭২১-টি সমবায় সমিতি ক্রেতা হিসেবে যুক্ত হয়েছে এবং তারা ৩৯৬.৭৭ কোটি টাকার মোট ৩,২৮৫-টি লেনদেন সম্পন্ন করেছে। বর্তমানে তাদের ‘বিক্রেতা’ হিসেবে নথিবদ্ধ করার প্রয়াসও চলছে।

জাতীয় সমবায় তথ্যভাণ্ডার গঠন

রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সহযোগিতায় ২০২৪ সালের ৮ মার্চ সমবায় মন্ত্রক একটি ব্যাপক ‘জাতীয় সমবায় তথ্যভাণ্ডার’  চালু করেছে। এই পোর্টালের মাধ্যমে ৩০-টি বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ৮.৫ লক্ষ সমবায় সমিতি এবং তাদের প্রায় ৩২ কোটি সদস্যের তথ্য এক জায়গায় পাওয়া সম্ভব। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির নোডাল অফিসাররা নিয়মিতভাবে এই তথ্যভাণ্ডার আপডেট করেন – https://cooperatives.gov.in/en

জাতীয় সমবায় নীতি (NCP)
২৪ জুলাই, ২০২৫ তারিখে সমবায় মন্ত্রক ‘জাতীয় সমবায় নীতি ২০২৫’ চালু করেছে। ভারতের সমবায় আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত ও আধুনিক করার লক্ষ্যে এই দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ এবং ‘সহকার-সে-সমৃদ্ধি’র সংকল্প নিয়ে গঠিত এই নীতি সমবায়গুলিকে আরও শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে। আগামী এক দশকে ১৬-টি লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে এই নীতিতে ছটি মূল স্তম্ভ বা মিশনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আয়কর আইনে সমবায় সমিতিগুলির জন্য বিশেষ ছাড়
সাম্প্রতিক আয়কর সংস্কারে সমবায় সমিতিগুলির আর্থিক বোঝা কমানো হয়েছে। বস্তুত, ১ থেকে ১০ কোটি টাকা আয়ের সমবায়গুলির সারচার্জ ১২% থেকে কমিয়ে ৭% এবং ‘ম্যাট’ ১৮.৫% থেকে কমিয়ে ১৫% করা হয়েছে। নতুন উৎপাদনকারী সমবায়গুলির জন্য করের হার কমিয়ে ১৫% করা হয়েছে। এছাড়া, প্যাকস ও গ্রামীণ সমবায় ব্যাঙ্কগুলির ক্ষেত্রে সদস্য পিছু নগদ লেনদেন ও ঋণের সীমা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।

সমবায় চিনিকলগুলির পুনরুজ্জীবন

সমবায় চিনিকলগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার ২০১৬ সাল থেকে আখ চাষিদের এফআরপি  বা এসএপি বাবদ দেওয়া অর্থকে করমুক্ত ঘোষণা করেছে, যার ফলে, প্রায় ৪৬,০০০ কোটি টাকার কর ছাড় মিলেছে। এনসিডিসি -র মাধ্যমে ১০,০০০ কোটি টাকার ঋণ প্রকল্পের আওতায় ইথানল উৎপাদন ও কার্যকরী মূলধনের জন্য ৫৬-টি চিনিকলকে ইতিমধ্যেই ১০০৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সমবায় চিনিকলগুলি বেসরকারি সংস্থাগুলির মতোই সমানভাবে ইথানল সরবরাহের সুযোগ পাচ্ছে এবং মোলাসেসের ওপর জিএসটি ২৮% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়েছে। এছাড়া, কোডিনার, তালালা ও ভালসাডের মতো চিনিকলগুলির আধুনিকীকরণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধির প্রয়াস চলছে।

উপসংহার

আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫ এর লক্ষ্য ও ‘সহকার সে সমৃদ্ধি’র সংকল্পকে পাথেয় করে ভারত সরকার সমবায় ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গ্রামীণ স্তরে প্যাকস-এর আধুনিকীকরণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, পঞ্চায়েত স্তরে সমবায়ের বিস্তার এবং স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াকরণ পরিকাঠামোর উন্নয়ন এই সংস্কারের মূল অঙ্গ। ডিজিটাইজেশন, নতুন মাল্টি-স্টেট সমবায় গঠন এবং নারী ও অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য বিশেষ সহায়তার মাধ্যমে সমবায়গুলিকে আরও দক্ষ ও স্বনির্ভর করে তোলা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে, এই উদ্যোগগুলি গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি, সুস্থায়ী উন্নয়নের পথকে আরও প্রশস্ত করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Adblocker detected! Please consider reading this notice.

We've detected that you are using AdBlock Plus or some other adblocking software which is preventing the page from fully loading.

We don't have any banner, Flash, animation, obnoxious sound, or popup ad. We do not implement these annoying types of ads!

We need money to operate the site, and almost all of it comes from our online advertising.

Please add https://www.ibgnews.com to your ad blocking whitelist or disable your adblocking software.

×
Verified by MonsterInsights