প্রধানমন্ত্রী মোদীর বার্তা: কল্যাণমূলক শাসন থেকে জনক্ষমতায়নের পথে ভারত
নয়াদিল্লি, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের দেশের উন্নয়ন প্রক্রিয়ার সক্রিয় অংশীদার করে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য এম. সিন্ধিয়ার লেখা ভারতের শাসনব্যবস্থায় কল্যাণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জনক্ষমতায়নের দিকে উত্তরণ বিষয়ক একটি নিবন্ধ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
নিবন্ধে তুলে ধরা হয়েছে, উন্নয়নের লক্ষ্য শুধু নাগরিকদের সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং তাঁদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা, নিজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং স্বনির্ভর হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করাও জনমুখী শাসনব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া থেকে স্বনির্ভরতার লক্ষ্য
পরিচ্ছন্নতা, রান্নার গ্যাসের সংযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ঋণ পাওয়ার সুযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগের সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর নিবন্ধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এই দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে নাগরিকদের শুধুমাত্র সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে না দেখে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির সক্রিয় অংশীদার হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত এক বার্তায় জানিয়েছে, সিন্ধিয়ার নিবন্ধে ভারতের শাসনব্যবস্থায় কল্যাণমূলক উদ্যোগ থেকে জনক্ষমতায়নভিত্তিক ব্যবস্থায় পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সরকারি পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের উন্নত জীবনযাপন ও আত্মনির্ভরতার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ার লক্ষ্য
২০৪৭ সালের মধ্যে একটি বিকশিত ও ক্ষমতায়িত ভারত গড়ে তোলার জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে এই শাসনদৃষ্টিভঙ্গিকে যুক্ত করা হয়েছে।
নাগরিকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পরিষেবার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং উন্নয়নের প্রক্রিয়ায় তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলাই এই দৃষ্টিভঙ্গির মূল উদ্দেশ্য।
সূত্র: প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB), কলকাতা
অন্তরা ত্রিপাঠী | IBG NEWS বাংলা



















