Poet Mr Faruque Ahamed honored by All India SC/ST Railway Employees Association
History was engraved on 21 February 2018 in the Kanchrapara Workshop where the statues of Lord Buddha and Babasaheb Dr Bheem Rao Ambedkar were unveiled in the august presence of Hon’ble Union Minister of State of Water Resources, River Development, Ganga Rejuvenation & Parliamentary Affairs along with the Chief Patron of All India SC/ST Railway Employees Association, Sri Arjun Ram Meghwal. The gracious
presence of Hon’ble Minister of State Social Justice and Empowerment, Ramdas Athwale and Hon’ble Chairperson of Parliamentary Committee for Welfare of SC and ST, Dr(Prof) Kirit Premji Bhai Solanki, Ashoke Kumar of All India SC and ST Railway Employees Association, and Hon’ble National President of AISCTREA, Banwari Lal Bairwa made the programme attractive and successful. The National Senior Vice President of All India SC and ST Railway Employees Association Sri R Perumal and two dignitaries of Host Zone of Eastern Railway namely, Samir Kumar Das and Chandra Ram (Zonal President) were also present.
In the programme, Mr.Faruque Ahamed, a known poet and editor of Udar Akash, was falicitated by All India SC/ST Railway Employees Association.
Original Report in Bengali
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারি সাহিত্য আকাশে অচেনা উত্থান হিসেবে ফারুক আহমেদ পেলেন বিশেষ সম্মাননা সংবাদদাতা:
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত।বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে কয়েকজন তরুণ শহীদ হন। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ২০১০ খ্রিস্টাব্দে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।
ভাষা দিবসে কবি-সাহিত্যিক ফারুক আহমেদকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হল অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন পক্ষ থেকে। অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের কাঁচরাপাড়া ওয়ার্কশপে ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবস নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। গৌতম বুদ্ধ-এর স্ট্যাচু, ভারতরত্ন ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর-এর স্ট্যাচু ও ড. বি আর আম্বেদকর পার্কের উদ্বোধন অনুষ্ঠান ওইদিন সুন্দর ভাবে সম্পন্ন হল। উদ্বোধন করলেন তিনজন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তারা হলেন, সাংসদ ও চেয়ারম্যান, পার্লামেন্টারি কমিটি অন দ্যা ওয়েলফেয়ার অফ এসসি-এসটি, ডা: কিরিত প্রেমজী ভাই সোলানকী, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্র সরকারের সামাজিক ন্যায় ও বিচার দফতরের মন্ত্রী রামদাস আতাওয়ালে, সভাপতিত্ব করেন, কেন্দ্র সরকারের জল সম্পদ উন্নয়ন, নদী উন্নয়ন সহ একাধিক দফতরের মন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। ওইদিন অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারন সভা সম্পন্ন হয়।
সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে কয়েকটি গ্রুপ। সঙ্গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার রাকসেল ও ধীরেন্দ্রনাথ মন্ডল। এদের সঙ্গীত ও নৃত্যকলা সকলকেই মুগ্ধ করে। মন্ত্রীগণ তাঁদের বক্তব্য রাখার সময় সমগ্র অনুষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস নিয়ে আয়োজিত হয় এক বিশেষ অনুষ্ঠান এখানে কবি-সাহিত্যিক ও ‘উদার আকাশ’ পত্রিকা-প্রকাশনের স্বনামধন্য সম্পাদক ফারুক আহমেদ-কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ফারুক আহমেদ-এর গায়ে শাল ও মাথায় পাগড়ী পরিয়ে দিলেন এবং মেমেন্টো (রেলের ইঞ্জিন) হাতে তুলে দিলেন অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের জোনাল সম্পাদক সমীর কুমার দাস ও জোনাল প্রেসিডেন্ট সি কে রাম। উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসেবে অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট, জেনারেল সেক্রেটারি ও ন্যাশনাল সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট যথাক্রমে বি এল বেরোয়া, অশোক কুমার ও আর পেরুমল। এছাড়াও অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশনের কাঁচড়াপাড়া ওয়ার্কশপের প্রেসিডেন্ট জ্যোতি পাশোয়ান, সেক্রেটারি সঞ্জয় মন্ডল, কার্য়কারী প্রেসিডেন্ট এটোয়া ওরান, এডিশন্যাল সেক্রেটারি জলপা হাসদাঁ, ট্রেজারার গৌতম প্রামাণিক, জোনাল কমিটির কার্যকরী প্রেসিডেন্ট তপন কুমার মজুমদার ও পূর্ব রেলের প্রধান কার্যালয়ের সম্পাদক কঙ্কন কুমার গুড়ি, চানশী পাশোয়ান, তরুণ সমাজকর্মী তনুজ কুমার মজুমদার প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন পূর্ব রেলের সাধারন সম্পাদক সমীর কুমার দাস।
ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর (১৪ এপ্রিল ১৮৯১ – ৬ ডিসেম্বর ১৯৫৬) ছিলেন একজন ভারতীয় জ্যুরিস্ট, রাজনৈতিক নেতা, বৌদ্ধ আন্দোলনকারী, দার্শনিক, চিন্তাবিদ, নৃতত্ত্ববিদ , ঐতিহাসিক, বাগ্মী, বিশিষ্ট লেখক, অর্থনীতিবিদ, পণ্ডিত, সম্পাদক, রাষ্ট্রবিপ্লবী ও বৌদ্ধ পুনর্জাগরণবাদী। তিনি বাবাসাহেব নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ভারতের সংবিধানের খসড়া কার্যনির্বাহক সমিতির সভাপতিও ছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদী এবং ভারতের দলিত আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা। ইনি ভারতের সংবিধানের মুখ্য স্থাপক।
ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর-এর স্ট্যাচু উদ্বোধনের পর বিশিষ্ট অতিথিদের সঙ্গে কবি-সাহিত্যিক ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের দূর শিক্ষা বিভাগের সহ অধিকর্তা ফারুক আহমেদকে বিশেষ সম্মাননা দিয়ে সম্মানিত করল অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন।
ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর-এর মর্যাদার জন্য সর্বদা কাজ করে চলেছে অল ইন্ডিয়া এসসি এণ্ড এসটি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন তাঁদের পক্ষ থেকে ফারুক আহমেদকে সম্মানিত করায় তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর-এর ভাব-আদর্শে অনুপ্রাণিত ফারুক আহমেদ। তাঁর স্বপ্নের উদার ভারত গড়তে ফারুক আহমেদ-রা বদ্ধপরিকর আছেন। ডক্টর ভীমরাও রামজি আম্বেদকর দারিদ্র মুক্তি ও জাতপাতহীন ভারত গড়তে চেয়েছিলেন। ভারতের সংবিধান রচনার সময় তিনি এসসি, এসটি, ওবিসি ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার উপর জোর দিয়েছিলেন। সকল শ্রেণি মানুষকেই তিনি মর্যাদার আসনে তুলে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছিলেন ওই সময়।
ইতিমধ্যে ফারুক আহমেদ বেশ কয়েটি পুরস্কারও পেয়েছেন।
২০১১ ও ২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গ ছোটো পত্রিকা সমন্বয় সমিতি “উদার আকাশ”কে শ্রেষ্ঠ শারদ সংখ্যা নির্বাচিত করে। ২০১২ সালে লিটল ম্যাগাজিন বিভাগে “উদার আকাশ” ‘নতুন গতি’ পুরস্কার পায়। বারাসত রবীন্দ্রভবনে কথামালা আয়োজিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব ২০১৭-র অনুষ্ঠানে ফারুক আহমেদকে ‘কথামালা ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। অল ইন্ডিয়া এস সি এণ্ড এস টি রেলওয়ে এমপ্লয়িজ এসোসিয়েশন তাঁদের নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় ফারুক আহমেদকে সম্মাননা জ্ঞাপন করে ২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। নিখিল ভারত শিশুসাহিত্য সংসদ কবি ফারুক আহমেদকে ২০১৭ সালে “চর্যাপদ” পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করে। মুর্শিদাবাদ জেলার ইমাম মুয়াজ্জিন সংগঠনের জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ২০১৬ সালে সাহিত্যিক ও সাংবাদিক হিসেবে ফারুক আহমেদকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে “প্রতিচ্ছবি” সাহিত্য সম্মানও পান ফারুক আহমেদ।
উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ ভাঙড়ের ভূমিপুত্র। এলাকার গর্ব। সাংস্কৃতিক আন্দোলনের তিনি অগ্রদূত। সাহিত্য সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তাঁকে ‘কলামন্থন অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে’র পক্ষ থেকে ২৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ‘রোটারি সদনে’ পুরস্কৃত করা হয় “আজীবন কৃতিত্ব সম্মাননা” দিয়ে।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পার্ক সার্কাস ময়দানে বৈচিত্রের মাঝে মহামিলন উৎসবে ‘পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন বিত্ত নিগমে’র পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ফারুক আহমেদকে। এছাড়াও তিনি বহু পুরস্কার পেয়েছেন সমাজকল্যাণকর কাজের জন্য।
বাংলার স্বনামধন্য সাহিত্যিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ ফারুক আহমেদ কে স্নেহের বাঁধনে বেঁধেছেন। তাঁর প্রতিটি বিশেষ সংখ্যা সস্নেহে উদ্বোধন করেছেন ও মূল্যবান পরামর্শ দান করেছেন মহাশ্বেতা দেবী, শঙ্খ ঘোষ, নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, আবুল বাশার, জয় গোস্বামী, কল্যাণী কাজী,কবীর সুমন, নজরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবীর, সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মোস্তাক হোসেন, সুনন্দ সান্যাল প্রমুখ সাহিত্যিক।
স্নেহের বাঁধনে বেঁধেছেন সাহিত্যের আর এক পৃষ্ঠপোষক ও উদ্যোগপতি মোস্তাক হোসেন।
সাহিত্যের পৌরোহিত্য করার সাথে-সাথে একজন সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে সমকালীন সময়ে ঘটে যাওয়া নানান অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেমন জোরালো কলম ধরেছেন তেমনি জোরালো কন্ঠস্বরে প্রতিবাদও করেছেন। এমনকি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষের মিছিলে পাও মিলিয়েছেন। ২০১৪ সালে আক্রান্ত আমরা-র নেতৃত্বে ও আরও কয়েকটি সংগঠন মিলে ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছে যে স্মারকলিপি দেওয়া হয় ফারুক আহমেদ তার অন্যতম সদস্য ছিলেন। এই ডেপুটেশনের পর আলাদা সাক্ষাৎ করে ফারুক আহমেদ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাতে “উদার আকাশ” পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা ও “উদার আকাশ” প্রকাশনের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ তুলে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাতে। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিংহ ধোনী এবং দিলীপ বেঙ্গসরকার-এর হাতেও “উদার আকাশ” প্রকাশনের গ্রন্থ তুলে দিয়ে তাঁদেরকে সম্মানিত করেছেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর হাতেও “উদার আকাশ”-এর বিশেষ সংখ্যা “উদার ভারত নির্মাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ” তুলে দিয়েছিলেন। রাজ্যের অনেক মন্ত্রীগণ তার প্রকাশনার গ্রন্থ ও পত্রিকা প্রকাশ করেছেন এবং কলম ধরেছেন।
২০১৬ সালে বিখ্যাত তাজ হোটেলে একটি অনুষ্ঠানে ফারুক আহমেদ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. অমর্ত্য সেন-এর। এরপর ওই সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অমর্ত্য সেন প্রকাশ করেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের উপর গবেষণা মূলক একটি রিপোর্ট। ড. অমর্ত্য সেন-এর প্রতিষ্ঠিত প্রতিচি ট্রাস্ট, গাইডেন্স গিল্ড এবং স্ন্যাপ সংগঠনের উদ্যোগে কলকাতার গোর্কি সদনে বই আকারে ওই রিপোর্ট প্রকাশের অনুষ্ঠানে আয়োজকদের মধ্যে ফারুক আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ফারুক আহমেদ-এর সবচাইতে বড়ো গুণ তিনি নিজে লেখার চাইতে অপরকে বেশি লেখাতে ভালোবাসেন। বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে-গঞ্জে অনেক প্রতিভা কুঁড়ে-ঘরের অন্ধকারে বসে নীরবে সাহিত্য-সাধনায় মগ্ন আছেন। শহরের নামজাদা পত্র-পত্রিকাগুলিতে তাদের স্থান হয় না। বলা ভালো পাত্তা মেলে না। ফারুক আহমেদ তাঁদের লেখাকে “উদার আকাশ”-এর পাতায় মর্যাদার সঙ্গে তুলে ধরছেন নিরন্তর। অন্যদিকে কারও-কারও ভালো লেখার হাত, কিন্তু লিখতে চান না। এঁদের পিছনে লেগে থেকে সুন্দর লেখা বের করে আনার মতো পুণ্যের কাজ ফারুক আহমেদ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত।
এই চিন্তা-ভাবনা থেকেই তার প্রকাশনার জগতে পা-রাখা। এ-বিষয়ে তাঁর ঐকান্তিক ইচ্ছায় জন্ম হয়েছে ‘উদার আকাশ” প্রকাশনের’। এখানেও ইতিমধ্যেই মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন তিনি। দুই বাংলার লেখকদের ৭৯ টি বই এযাবৎ প্রকাশিত হয়েছে তাঁর ‘উদার আকাশ’ প্রকাশন় থেকে। প্রতিটি বইয়ের বিষয়, ছাপার মান, কাগজ ইত্যাদি যে-কোনও বড়ো প্রকাশনের সঙ্গে টক্কর দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ‘উদার আকাশ’ প্রকাশনের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো ‘পশ্চিমবাঙলার বাঙালি মুসলমান অন্তবিহীন সমস্যা’, – খাজিম আহমেদ, ‘জীবনশিল্পী রোকেয়া’, – ড. মীরাতুন নাহার, ‘ইসলামের ভুবন’, এবং ‘মোদীর ভারত, গান্ধীর ভারত’, – গৌতম রায়, ‘মানুষ-মাটি-মা’ ও ‘জন্মভূমিশ্চ’, – মোশারফ হোসেন, ‘নজরুল সাহিত্যের দিগ্বলয়,’ নুরুল আমিন বিশ্বাস, ‘জলের কান্না’, – পলাশকুমার হালদার, ‘সাম্যবাদ : ভারতীয় বিক্ষণ’, আর ‘নজরুল নানা মাত্রা,’- শেখ মকবুল ইসলাম, ‘পরিবর্তনের সন্ধানে মুর্শিদাবাদের বাঙালি মুসলমান’, – সৌমেন্দ্রকুমার গুপ্ত’ ‘মহাশ্বেতা দেবীর গল্পবিশ্ব : লৈঙ্গিক প্রতিরোধ’, শিবুকান্ত বর্মন, ‘দ্য সেকুলার ভিশন অফ কাজী নজরুল ইসলাম,’ আবুল হোসেন বিশ্বাস, ‘নজরুল সাহিত্যে দেশকাল,’ সা’আদুল ইসলাম, ‘গৌরকিশোর ঘোষ মুসলিম জীবন ও অভিমানস’, শেখ মুঈদুল ইসলাম প্রমুখ।
ফারুক আহমেদ, তিনি নিজের সম্পাদনা কাজেও তাঁর মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন। যা ইতিমধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছে। তাঁর সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো ‘রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে অনগ্রসর ও সংখ্যালঘু’, ‘কংগ্রেস ও বাম-শাসনে মুসলিম ভোট-ব্যাঙ্ক’, ‘আত্মপরিচয়ের অন্বেষণ’, ‘পশ্চিমে সূর্যোদয় রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের উলটপূরাণ’, ‘প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়ন’, ‘মূল্যবোধের অবক্ষয়’ সহ বেশ কয়েটি গ্রন্থ।
আগেই বলেছি নিজে লেখার চাইতে অন্যকে লেখাতে বেশি আনন্দ পান ফারুক আহমেদ। তবুও ধীর গতিতে হলেও নিজের মৌলিক লেখালেখি ও গবেষণার কাজ নীরবে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। ইতিমধ্যে গুণগ্রাহীদের চাপে তাঁর কাব্যগ্রন্থ ‘বিশ্বপ্রেম’ প্রকাশিত হয়েছে ও তাঁর গল্পগ্রন্থ ‘বিনির্মাণ’ প্রকাশিত হতে চলেছে।
বাংলায় তাঁর জনপ্রিয়তা ক্রমবর্ধমান। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিন চ্যানেলের টক-শোতে চ্যানেলের আমন্ত্রণে উপস্থিত থেকেছেন তিনি। তাঁর মূল্যবান বক্তব্য সে তুলে ধরেছেন বাংলার ও দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য। ২০০৭ সাল থেকে তিনি মুর্শিদাবাদ জেলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার জন্য প্রতিনিয়ত সামাজিক ভাবে জনমত গড়ে তুলতে আন্দোলন করছেন এবং সরকারের কাছে লিখিত ভাবে আবেদনও করেছেন।
একেবারে প্রত্যন্ত গ্রামের মাটি থেকে তাঁর এই যে উড়ান, তা কেবল তাঁর একার প্রবল ইচ্ছাশক্তির জোরেই। বর্তমান সময়-কালে শহরের পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য না থাকলে কেউই ওড়ার সাহস দেখাতে পারেনা। খুব কাছ থেকে অনেকেই দেখেছেন তাই অনেকেই বলতে পারেন কেবলই ইচ্ছে-ডানায় ভর করেই তাঁর এই উড়ান। এই মুহূর্তে ফারুক আহমেদ একাধারে জনপ্রিয় সম্পাদক, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সমাজ-চিন্তাবিদ ও দক্ষ সংগঠক। গত ১৪ নভেম্বর ২০১৭ তাঁরই উদ্যোগে কলকাতার আইসিসিআর সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল ‘গঙ্গা-পদ্মা সাহিত্য-সৌহার্দ্য, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসব-২০১৭।’ দুই বাংলার সংস্কৃতি ও সাহিত্যি-জগতের মেলবন্ধনের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্রিত থাকবে আজীবন, ফারুক আহমেদ’দের এই কামনা একদিন যথার্থ হয়ে উঠবে, দল-মত-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে, যেদিন থাকবে না কোনও লুকনো বিদ্বেষ, ভারতবাসী হিসেবে আমরা সেই সুদিনের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছি। সেই সুদিন, –যা অনিবার্য, এবং একদিন আসবেই।
ফারুক আহমেদের পিতা মোঃ আবেদ আলি ও মা ফজিলা বেগম, স্ত্রী মৌসুমী বিশ্বাস, কন্যা রাইসা নূর ও মূল্যবান দীপ্তিময় তারার অনুপ্রেরণাতেই সাহিত্য আকাশে তিনি এখন বিরল প্রতিভাদের মধ্যে এক অন্যতম চেনা আকাশ।
Used to determine whether a user is included in an A / B or Multivariate test.
18 months
_ga
ID used to identify users
2 years
_gali
Used by Google Analytics to determine which links on a page are being clicked
30 seconds
_ga_
ID used to identify users
2 years
_gid
ID used to identify users for 24 hours after last activity
24 hours
_gat
Used to monitor number of Google Analytics server requests when using Google Tag Manager
1 minute
__utma
ID used to identify users and sessions
2 years after last activity
__utmt
Used to monitor number of Google Analytics server requests
10 minutes
__utmb
Used to distinguish new sessions and visits. This cookie is set when the GA.js javascript library is loaded and there is no existing __utmb cookie. The cookie is updated every time data is sent to the Google Analytics server.
30 minutes after last activity
__utmc
Used only with old Urchin versions of Google Analytics and not with GA.js. Was used to distinguish between new sessions and visits at the end of a session.
End of session (browser)
__utmz
Contains information about the traffic source or campaign that directed user to the website. The cookie is set when the GA.js javascript is loaded and updated when data is sent to the Google Anaytics server
6 months after last activity
__utmv
Contains custom information set by the web developer via the _setCustomVar method in Google Analytics. This cookie is updated every time new data is sent to the Google Analytics server.
2 years after last activity
_gac_
Contains information related to marketing campaigns of the user. These are shared with Google AdWords / Google Ads when the Google Ads and Google Analytics accounts are linked together.
90 days
Marketing cookies are used to follow visitors to websites. The intention is to show ads that are relevant and engaging to the individual user.
A video-sharing platform for users to upload, view, and share videos across various genres and topics.
This cookie stores your preferences and other information, in particular preferred language, how many search results you wish to be shown on your page, and whether or not you wish to have Google’s SafeSearch filter turned on.
10 years from set/ update
YSC
Registers a unique ID to keep statistics of what videos from YouTube the user has seen.
Session
DEVICE_INFO
Used to detect if the visitor has accepted the marketing category in the cookie banner. This cookie is necessary for GDPR-compliance of the website.
179 days
LOGIN_INFO
This cookie is used to play YouTube videos embedded on the website.
2 years
VISITOR_PRIVACY_METADATA
Youtube visitor privacy metadata cookie
180 days
GPS
Registers a unique ID on mobile devices to enable tracking based on geographical GPS location.
1 day
VISITOR_INFO1_LIVE
Tries to estimate the users' bandwidth on pages with integrated YouTube videos. Also used for marketing