
বইমেলার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্টলের সামনে হিন্দু গণহত্যার প্রতিবাদে সামিল অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা
অনির্বান চক্রবর্তী
১৩ মার্চ ২০২১,কলকাতা:
দুর্গাপূজার সময় অমানবিক অত্যাচার ও হত্যালীলার ঘটনা উপমহাদেশে আলোড়ন ফেলে দেয় । দেশ বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত হয় চক্রান্তকরিদের ষড়যন্ত্রে। এই ঘটনায় সকল হিন্দু সংগঠন সহ হিন্দু মহাসভা ও সকল সমাজের শুভ বুদ্ধির মানুষ প্রতিবাদে সামিল হয় ।
আজ বইমেলার সমাপ্তি উৎসবে যখন বাংলাদেশের উপ হাই কমিশনার সহ কলকাতা মেয়র ববি হাকিম, গিল্ডের ম্যানেজমেন্ট মঞ্চে বইমেলার সাফল্য ব্যাখ্যা করছেন ঠিক তখনি বাংলাদেশের স্টলের সামনে শান্তিপূর্ণ অতি দীনতার সাথে প্রতিবাদে সোচ্ছার হন কার্তিক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কিছু কর্মী ও অধিকর্তা ।
হিন্দুদের প্রাচীনতম সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠন Akhil Bharat Hindu Mahasabha (W. B) যুব সভাপতি শ্রী জয়জিৎ ভট্টাচার্য, ছাত্র মহাসভার সভাপতি আনিস ভট্টাচার্য সহ এক গুচ্ছ যুব নেতা, তাঁদের দাবি ছিল বাংলাদেশকে ক্ষমা চাইতে হবে মানুষের কাছে ।
এক অংশ এই প্রতিবাদের সমর্থন করছেন এবং বলছেন এই ধরণের নারকীয় অত্যাচার বন্ধ হোক সেখানে কিছু বুদ্ধিজীবী বলেন বইমেলায় রাজনৈতিক রং লাগানো উচিত নয়।
এই বিষয়ে জানান প্রয়োজন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর ভাবে প্রশাসন কে আদেশ দিয়েছিলেন দাঙ্গা বন্ধের কিন্তু মানুষ সেই প্রতিশুতি কে আর ভরসা করতে পারছেনা বলে অভিমত অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কর্মী ও অধিকর্তাদের ।
আজ বাংলাদেশের উপহাইকমিশিনের কর্তা, বাংলাদেশের প্রকাশক ও অতিথিদের সামনে এই প্রতিবাদ হিন্দু সমাজের প্রতীকী প্রতিবাদ বলে দাবি করেন তাঁরা ।
এই বিষয়ে হিন্দু মহাসভার নেতৃত্ত্ব বলেন মানুষের কথা বললেই রাজনীতি আর ধান্দাবাজি করে মানুষের অধিকার খর্ব করে পেট ভরানো উচ্চমার্গের লক্ষণ বলে মনে করেন বুদ্ধিজীবীদের এক অংশ ।
আগামী দিনে কার্তিক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভার কর্মী ও অধিকর্তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামছেন মানুষের অধিকার ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য বলে জানালেন সংগঠনের নেতৃত্ত্ব ।

















