Saturday, September 19, 2026
WA
Home Bangla প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে কমনওয়েল্থের স্পিকার এবং প্রিসাইডিং...

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে কমনওয়েল্থের স্পিকার এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ২৮তম সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন

0
13
PM addressing at 28th Conference of Speakers and Presiding Officers of the Commonwealth at Parliament House, in New Delhi on January 15, 2026.
PM addressing at 28th Conference of Speakers and Presiding Officers of the Commonwealth at Parliament House, in New Delhi on January 15, 2026.

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে কমনওয়েল্থের স্পিকার এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের ২৮তম সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন

By PIB Kolkata

নতুন দিল্লি, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লিতে পার্লামেন্ট হাউস কমপ্লেক্সে সংবিধান সদনের সেন্ট্রাল হলে ২৮তম কনফারেন্স অফ স্পিকার্স অ্যান্ড প্রিসাইডিং অফিসার্স অফ দ্য কমনওয়েল্থ (সিএসপিওসি)-এর উদ্বোধন করলেন। অনুষ্ঠানে ভাষণে শ্রী মোদী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে অধ্যক্ষের ভূমিকা অনন্য। তিনি বলেন, স্পিকারের খুব বেশি কথা বলার সুযোগ হয় না। কিন্তু তাঁদের দায়িত্ব নিহিত থাকে অন্যদের কথা শোনার মধ্যে এবং তাঁরা নিশ্চিত করেন যে প্রত্যেকেই যেন তাঁদের কথা বলার সুযোগ পান। তিনি বলেন, স্পিকারদের অতি সাধারণ গুণ ধৈর্য, যিনি অতিউৎসাহী সদস্যদের চেঁচামেচি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন হাসিমুখে। 

এই বিশেষ অনুষ্ঠানের অতিথিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, অতিথিদের পেয়ে তিনি গর্বিত। তিনি বলেন, এই জায়গা যেখানে প্রত্যেকে বসে আছেন তার বড় ভূমিকা আছে ভারতের গণতান্ত্রিক যাত্রায়। তিনি বলেন, ঔপনিবেশিক শাসনের অন্তিম বছরগুলিতে যখন ভারতের মুক্তি ছিল নিশ্চিত, তখন এই সেন্ট্রাল হলেই সংবিধানের খসড়া তৈরি করতে সংবিধান সভার বৈঠক বসেছিল। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরে এই ভবনটি ভারতের সংসদ হিসেবে কাজ করেছে, যেখানে অগণিত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং আলোচনা দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেছে। শ্রী মোদী আরও বলেন যে, ভারত এখন এই ঐতিহাসিক স্থানকে উৎসর্গ করেছে গণতন্ত্রের প্রতি সংবিধান সদন নাম দিয়ে। তিনি বলেন যে, অতি সম্প্রতি ভারত সংবিধান রূপায়ণের ৭৫ বছর পূর্ণ করেছে। সংবিধান সংদনে সকল বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি ভারতের গণতন্ত্রের জন্য একটি অতি বিশেষ মুহূর্ত বলে জানান তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই নিয়ে চতুর্থবার যখন কমনওয়েল্থ স্পিকার্স অ্যান্ড প্রিসাইডিং অফিসার্স কনফারেন্স ভারতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, এই সম্মেলনের প্রধান থিম এফেক্টিভ ডেলিভারি অফ পার্লামেন্টারি ডেমোক্র্যাসি। শ্রী মোদী জানান, যখন ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে তখন সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল যে, এত বৈচিত্র্যময় একটি দেশে গণতন্ত্র রক্ষা করা যাবে না। তিনি বলেন, ভারত তার বৈচিত্র্যকে তার গণতন্ত্রের শক্তিতে পরিবর্তিত করেছে। তিনি আরও বলেন, আরও একটি বড় উদ্বেগ ছিল যদিও ভারতে গণতন্ত্র কোনভাবে টিকেও যায়, উন্নয়ন সম্ভব হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত প্রমাণ করেছে যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলি গণতন্ত্রকে দিয়েছে স্থিরতা, গতি এবং মাত্রা”। তিনি বলেন যে, বর্তমানে ভারত সারা বিশ্বে দ্রুততম বর্ধনশীল প্রধান অর্থনীতি। ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম ইউপিআই মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আছে। ভারত বৃহত্তম টিকা প্রস্তুতকারক, দ্বিতীয় বৃহত্তম ইস্পাত উৎপাদক, তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্টআপ পরিমণ্ডল, তৃতীয় বৃহত্তম বিমান পরিবহণের বাজার, চতুর্থ বৃহত্তম রেলওয়ে নেটওয়ার্ক, তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক, বৃহত্তম দুগ্ধ উৎপাদক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম চাল উৎপাদক। 

তিনি বলেন, “ভারতে ডেমোক্র্যাসির অর্থ শেষ বিন্দু পর্যন্ত পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া।” তিনি আরও বলেন, ভারত কাজ করে জনকল্যাণের আদর্শ নিয়ে, বৈষম্য ছাড়াই প্রত্যেকের কাছে সুযোগ পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে। তিনি বলেন যে, এই কল্যাণকর আদর্শের কারণে ২৫ কোটি মানুষ সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দারিদ্র্য মুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “ভারতে গণতন্ত্র পরিষেবা প্রদান করে”।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতে গণতন্ত্র পরিষেবা প্রদান করে কারণ মানুষই সবার উপরে। তিনি বলেন যে, তাদের প্রত্যাশা এবং স্বপ্নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং নিশ্চিত করা হয়েছে যে তাদের সামনে যেন কোন বাধা না আসে। প্রক্রিয়া থেকে প্রযুক্তি সব কিছুরই গণতন্ত্রীকরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন যে, এই গণতান্ত্রিক আদর্শ ভারতের শিরায় এবং মনে বাহিত হচ্ছে। শ্রী মোদী কোভিড-১৯ অতিমারীর উদাহরণ দেন যখন সমগ্র বিশ্ব লড়াই করছিল। তিনি উল্লেখ করে যে, দেশের মধ্যে নানা সমস্যার সত্বেও ভারত ১৫০টির বেশি দেশে ওষুধ এবং টিকা সরবরাহ করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মানুষের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, স্বার্থ দেখাই ভারতের আদর্শ এবং এই আদর্শকে লালন করেছে ভারতের গণতন্ত্র। 

সারা বিশ্বের অনেকেই ভারতকে মানে বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, ভারতের গণতন্ত্রের মাত্রা প্রকৃতই অসাধারণ। ২০২৪-এ আয়োজিত সাধারণ নির্বাচনের উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষের ইতিহাসে সেটা ছিল বৃহত্তম গণতান্ত্রিক ঘটনা। প্রায় ৯৮০ মিলিয়ন নাগরিক ভোট দেওয়ার জন্য নথিভুক্ত হন, যে সংখ্যা কিছু মাহাদেশের জনসংখ্যার থেকেও বেশি। তিনি বলেন, আট হাজারের বেশি প্রার্থী ছিল এবং ৭০০-র বেশি রাজনৈতিক দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক মহিলা ভোটাররা অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, বর্তমানে ভারতের মহিলারা শুধুই অংশ নিচ্ছেন তাই নয়, পথও দেখাচ্ছেন। তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতি দেশের প্রথম নাগরিক একজন মহিলা। দিল্লি যেখানে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তার মুখ্যমন্ত্রীও একজন মহিলা। তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ এবং স্থানীয় প্রশাসনেও ভারতে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন নির্বাচিত মহিলা প্রতিনিধি আছেন, যা তৃণমূল স্তরের নেতৃত্বের প্রায় ৫০ শতাংশ যার কোন তুলনা নেই বিশ্বে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় গণতন্ত্র তার বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। তিনি বলেন যে, কয়েকশো ভাষায় এখানে কথা বলা হয়। বিভিন্ন ভাষায় ৯০০-টির বেশি টেলিভিশন চ্যানেল আছে এবং কয়েক হাজার পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত হয়। তিনি বলেন, খুব কম সমাজই এই মাত্রায় বৈচিত্র্যকে সামলাতে পারে এবং ভারত তার বৈচিত্র্য নিয়ে গর্ব করে কারণ, এর গণতন্ত্রের ভিত শক্ত। ভারতের গণতন্ত্রকে গভীর শিকড় সম্পন্ন বড় মহীরুহের সঙ্গে তুলনা করে শ্রী মোদী বলেন, ভারতের বিতর্ক, আলোচনা এবং সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। তিনি মনেকরিয়ে দেন যে, ভারতকে গণতন্ত্রের জননী বলা হয়। তিনি বলেন, ভারতের পবিত্র পুস্তক বেদ ৫০০০-এর বেশি বছরের পুরানো। তিনি সাধারণ সভার উল্লেখ করেন, যেখানে মানুষ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করার জন্য মিলিত হতো এবং আলোচনা করার পর সম্মত হয়ে সিদ্ধান্ত নিতো। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত ভগবান বুদ্ধের ভূমি, যেখানে বৌদ্ধ সংঘগুলি খোলাখুলি এবং ছকে বেঁধে আলোচনা করতো, সর্বসম্মতভাবে অথবা ভোটদানের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি তামিলনাড়ুর দশম শতাব্দীর একটি পুঁথির উল্লেখ করেন। যেখানে বলা হয়েছে, গ্রামসভা যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ নিয়ে কাজ করতো, ছিল দায়বদ্ধতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পরিষ্কার নিয়ম। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সময়ের কষ্টিপাথরে পরীক্ষি, বৈচিত্র্যের দ্বারা সমর্থিত এবং প্রজন্মের পর প্রজম্ম ধরে শক্তিশালী হয়েছে।”

শ্রী মোদী বলেন, কমনওয়েল্থের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫০ শতাংশ বাস করে ভারতে। তিনি বলেন যে, ভারত সকল দেশের উন্নয়নে যথা সম্ভব সাহায্য করে এসেছে ধারাবাহিকভাবে। তিনি এও বলেন, কমনওয়েল্থের সুস্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে, সে স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি অথবা উদ্ভাবন সব ক্ষেত্রেই ভারত পুরো দায়িত্বের সঙ্গে তার দায়বদ্ধতা পূরণ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ভারত ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করে অংশীদারদের কাছ থেকে শিখতে এবং ভারতের অভিজ্ঞতা থেকে যাতে কমনওয়েল্থের দেশগুলি উপকৃত হয় তা নিশ্চিত করতে। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ এমন একটা সময় যখন বিশ্ব যাচ্ছে অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এবং এটা এমন একটি মুহূর্ত যখন গ্লোবাল সাউথ তার নতুন পথ খুঁজে নিচ্ছে। তিনি বলেন, ভারত সবকটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে জোরালো ভাবে গ্লোবাল সাউথের উদ্বেগগুলি নিয়ে সরব হচ্ছে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, জি-২০ সভাপতিত্বকালে ভারত আন্তর্জাতিক আলোচ্যসূচির কেন্দ্রে রেখেছিল গ্লোবাল সাউথের উদ্বেগগুলি। শ্রী মোদী বলেন, উদ্ভাবনের উপকার যাতে সমগ্র গ্লোবাল সাউথ এবং কমনওয়েল্থ দেশগুলি প্রায় তা নিশ্চিত করতে ভারত লাগাতার প্রয়াস চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ভারত ওপেন সোর্স টেকনলোজি প্ল্যাটফর্মও তৈরি করছে যাতে গ্লোবাল সাউথের অংশীদার দেশগুলি একই ধরনের ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। 

এই সম্মেলনের প্রধান একটি উদ্দেশ্য, সংসদীয় গণতান্ত্রের জ্ঞান এবং বোধ প্রসারে বিভিন্ন পথ খতিয়ে দেখা জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, এই প্রয়াসে স্পিকার এবং প্রিসাইডিং অফিসার দুয়েরই বড় ভূমিকা আছে। কারণ, দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে মানুষের নিবিড় সংযোগ ঘটায় এটি। তিনি বলেন যে, ভারতীয় সংসদ ইতিমধ্যেই এই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষামূলক ভ্রমণ এবং প্রয়োজন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে নাগরিকদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে সংসদকে আরও ভাল ভাবে জানার। তিনি আরও বলেন যে, ভারত সংসদের আলোচনা এবং বিতর্ক তাৎক্ষণিক আঞ্চলিক ভাষাগুলিতে অনুবাদ করতে এআই-এর ব্যবহার শুরু করেছে। শ্রী মোদী বলেন যে, সংসদ সংক্রান্ত তথ্যগুলি এআই-এর সাহায্যে ব্যবহারকারীদের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। তিনি বলেন যে, এর ফলে সংসদের কাজকর্ম সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে তরুণ প্রজন্মের জন্য। 

কমনওয়েল্থের ২০টির বেশি সদস্য দেশে সফর করার সুযোগ হওয়ার কথা জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, তাঁর সুযোগ হয়েছে একাধিক সংসদে ভাষণ দেওয়ারও। তিনি বলেন যে, যেখানেই তিনি গেছেন তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, তিনি যেখানে যত ভাল ব্যবস্থা দেখেছেন তার কথা জানিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষের পাশাপাশি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান এবং ডেপুটি চেয়ারম্যানকে। তিনি বলেন যে, এই সম্মেলন শিক্ষাগ্রহণের এবং তা ভাগ করে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তাঁর বিশ্বাস। ভাষণের শেষে তিনি সকল অংশগ্রহণকারীকে তাঁর শুভেচ্ছা জানান। 

লোকসভার অধ্যক্ষ শ্রী ওম বিড়লা, রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান শ্রী হরিবংশ, ইন্টারপার্লামেন্টারি ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ডঃ তুলিয়া অ্যাকশন, কমনওয়েল্থ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন ডঃ ক্রিস্টোফার কালিলা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Adblocker detected! Please consider reading this notice.

We've detected that you are using AdBlock Plus or some other adblocking software which is preventing the page from fully loading.

We don't have any banner, Flash, animation, obnoxious sound, or popup ad. We do not implement these annoying types of ads!

We need money to operate the site, and almost all of it comes from our online advertising.

Please add https://www.ibgnews.com to your ad blocking whitelist or disable your adblocking software.

×
Verified by MonsterInsights