Wednesday, November 4, 2026
WA
Home Bangla ‘বিকশিত ভারত ইনিশিয়েটিভ ফর স্ট্যাটিস্টিক্যাল ট্রান্সফরমেশন, অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড রিসার্চ’ প্রকল্পে অনুমোদন মন্ত্রিসভার

‘বিকশিত ভারত ইনিশিয়েটিভ ফর স্ট্যাটিস্টিক্যাল ট্রান্সফরমেশন, অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড রিসার্চ’ প্রকল্পে অনুমোদন মন্ত্রিসভার

0
1
Statistics
Statistics
Buy on Amazon
Buy Now on Amazon

‘বিকশিত ভারত ইনিশিয়েটিভ ফর স্ট্যাটিস্টিক্যাল ট্রান্সফরমেশন, অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড রিসার্চ’ প্রকল্পে অনুমোদন মন্ত্রিসভার

by PIB Kolkata

নয়াদিল্লি, ০৪ নভেম্বর, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা আজ ‘বিকশিত ভারত ইনিশিয়েটিভ ফর স্ট্যাটিস্টিক্যাল ট্রান্সফরমেশন, অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড রিসার্চ (VISTAR)’  প্রকল্পটিকে অনুমোদন দিয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ২০৩০-৩১ অর্থ বছরের মধ্যে কার্যকর হতে যাওয়া এই প্রকল্পের জন্য ৪,৩৭১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর মূল লক্ষ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রণীত এই ‘বিস্তার’ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো – একটি গতিশীল, তাৎক্ষণিক (রিয়েল-টাইম) এবং ভবিষ্যৎ-উপযোগী সরকারি পরিসংখ্যান কাঠামো গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে তথ্যের সময়োপযোগিতা ও সূক্ষ্মতা বৃদ্ধি পাবে এবং বিভিন্ন ডেটাসেটের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে।
‘বিস্তার’ প্রকল্পটি নীতিনির্ধারণী প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে সম্পদ বরাদ্দের ক্ষেত্রে কৌশলগত নমনীয়তা প্রদান করবে। এটি বড় আকারের সমীক্ষা পরিচালনা, পদ্ধতিগত গবেষণা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং জাতীয় ডেটা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের সমস্ত পরিসংখ্যানগত ও ডেটা ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং দেশের সরকারি পরিসংখ্যান ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ‘বিস্তার’ প্রকল্পের তিনটি উপাদান হলো:

উপাদান ১: সামগ্রিক পরিসংখ্যান কার্যক্রম ও ইকোসিস্টেম শক্তিশালীকরণ

উপাদান ২: পরিসংখ্যানগত সক্ষমতা বৃদ্ধি

উপাদান ৩: অর্থনৈতিক শুমারি

‘সামগ্রিক পরিসংখ্যান কার্যক্রম ও ইকোসিস্টেম শক্তিশালীকরণ’ উপাদানের আওতায়, পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক ১৬তম অর্থ কমিশনের সময়কালে ৫৯টি সমীক্ষা চালানোর প্রস্তাব করেছে। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ঘাটতি পূরণ হবে, যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে উন্নত করবে এবং সময়োপযোগী ও সুনির্দিষ্ট নীতি প্রণয়নে সহায়তা করবে। এছাড়া, প্রযুক্তি-নির্ভর তথ্য সংগ্রহ এবং ব্যবহারকারী-কেন্দ্রিক তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক ডিজিটাল রূপান্তরের ধারাবাহিকতায়, পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক পরিসংখ্যান প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেবে। পাশাপাশি, নিয়মিত কর্মপ্রবাহে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং যুক্ত করা হবে, যা মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ, যাচাইকরণ এবং বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হবে।

পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক নতুন কিছু সূচক প্রকাশের পরিকল্পনা করছে, যার মধ্যে রয়েছে ‘হেডলাইন ইনডেক্স অফ সার্ভিসেস প্রোডাকশন’ (সেবা ক্ষেত্রের উৎপাদনের প্রধান সূচক) এবং ‘ইনডেক্স অফ আনইনকর্পোরেটেড সেক্টর এন্টারপ্রাইজেস’ (অসংগঠিত ক্ষেত্রের উদ্যোগ বিষয়ক সূচক)। পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক ডেটা ক্যাটালগিং, ডেটা শেয়ারিং প্রোটোকল এবং ‘প্রাইভেসি বাই ডিজাইন’-এর মতো ডেটা সমন্বয়ক স্তম্ভগুলির ওপর ভিত্তি করে কাজ করবে। এর লক্ষ্য হল, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা দূর করা, সরকারি কর্মসূচিগুলির লক্ষ্য নির্ধারণ উন্নত করা, কাজের পুনরাবৃত্তি কমানো এবং সরকারি স্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পথ প্রশস্ত করা। মোবাইল ফোন, স্ক্যানার এবং ই-কমার্সের মতো বিকল্প উৎসগুলিকে মূলধারায় নিয়ে আসার মাধ্যমে পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক প্রথাগত সমীক্ষাগুলিকে পরিপূরক হিসেবে সহায়তা করবে; এর ফলে উত্তরদাতাদের ওপর চাপ কমবে, ডেটার ঘাটতি পূরণ হবে এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ স্কিম এবং একাডেমিক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত গবেষণা প্রস্তাবের মাধ্যমে পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক তরুণ প্রজন্ম ও গবেষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি নিশ্চিত করবে।
‘সাপোর্ট ফর স্ট্যাটিস্টিক্যাল স্ট্রেংথেনিং’ কর্মসূচির আওতায়, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির পরিসংখ্যানগত সক্ষমতা পরিবর্তনের জন্য একটি নতুন কাঠামো অনুযায়ী অর্থায়ন করা হবে।

পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষায় জেলা পর্যায় এবং দশ লক্ষাধিক জনসংখ্যাবিশিষ্ট শহরগুলির জন্য পরিসংখ্যান তৈরির পরিধি বাড়াতে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

‘ইকোনমিক সেন্সাস’ বা অর্থনৈতিক শুমারি কর্মসূচির আওতায়, পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সহযোগিতায় অষ্টম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করবে। এর মাধ্যমে গ্রাম পঞ্চায়েত ও ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত অকৃষি প্রতিষ্ঠান এবং সেখানে কর্মরত কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এটি অর্থনীতির অসংগঠিত ক্ষেত্রের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরবে এবং ‘ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার’ তৈরির ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে, যা পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ বা  সমীক্ষা পরিচালনায় সহায়ক হবে। অর্থনৈতিক শুমারির এই তথ্য জাতীয় ও উপ-জাতীয় পর্যায়ের পরিকল্পনাবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হবে; এটি মোট দেশজ উৎপাদনে অসংগঠিত ক্ষেত্রের অবদান নিরূপণের পথ সুগম করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Adblocker detected! Please consider reading this notice.

We've detected that you are using AdBlock Plus or some other adblocking software which is preventing the page from fully loading.

We don't have any banner, Flash, animation, obnoxious sound, or popup ad. We do not implement these annoying types of ads!

We need money to operate the site, and almost all of it comes from our online advertising.

Please add https://www.ibgnews.com to your ad blocking whitelist or disable your adblocking software.

×
Verified by MonsterInsights