টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরসের প্রতারণার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন ফারুক আহমেদ
সংবাদদাতা, কল্যাণী, নদীয়া:
টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরসের মেন শোরুম আছে কামারহাটিতে ও কল্যাণীর নিমতলাতে– একটি শাখা অফিস ও শোরুম। গত ৯ আগস্ট কল্যাণীর গয়েশপুরের ভূগোলের শিক্ষক হামিম রৌশন চৌধুরী এবং তার বন্ধু ভূগোলের শিক্ষক কল্যাণী ইউনিভার্সিটি এক্সপেরিমেন্টাল হাই স্কুলের কৌশিক ভট্টাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরসের কল্যাণী শাখাতে একটি “টাটা টিগোর এক্স জেড অপশনাল কপার ডাজেল” গাড়ি বুক করেন উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ।
কৌশিক বাবুর অনুরোধে তিনি “টাটা টিগোর এক্স জেড অপশনাল কপার ডাজেল” পেট্রোলে চলবে গাড়িটি পছন্দ করেন এবং ওই দিন ৫০ হাজার টাকা দিয়ে বুকিং করেন। টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরস কল্যাণী শাখায়।
টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরস্ কল্যাণী শাখার কর্মচারী কল্যাণ ভদ্র ও
অমিত বোস ছিলেন গাড়ি বুকিং এর সময়। তারা ফারুক আহমেদ, হামিম রৌশন চৌধুরী
ও কৌশিক বাবুকে জানিয়ে দেন ১৮ আগস্ট গাড়ি ডেলিভারি দেওয়া হবে। তিনদিন পর
লোনের জন্য কল্যাণ ভদ্র সমস্ত কাগজে সই করিয়ে নেন।
১৬ আগস্ট কল্যাণীর টাটা মোটরসের ডিলার আর ডি মোটরসের শোরুমের কর্মচারী কল্যাণ ভদ্র ফোন করে ফারুক আহমেদকে ডাকেন এবং বলেন আপনার লোন ও গাড়ি রেডি রয়েছে, আপনি আরও ৯০ হাজার টাকা নিয়ে আসুন।
ফারুক আহমেদ ওই দিন আবারও ৬০ হাজার টাকা পেমেন্ট করেন।
১৮ আগস্টও গাড়ি দিতে পারল না টাটা মোটরসের ডিলার আর ডি মোটরসের কল্যাণী শাখা।
কল্যাণ ভদ্র জানান ২৪ আগস্ট গাড়ি ডেলিভারি দেওয়া হবে। ২৪ আগস্ট তারিখ
কল্যাণী শাখাতে ফারুক আহমেদ যান এবং গাড়ি ডেলিভারি না পেয়ে তিনি তার
দেওয়া ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মানি রিসিট বা রশিদ চান। তখন কল্যাণী শাখার
কর্মচারী কল্যাণ ভদ্র ৬০ হাজার টাকার মানি রিসিট দিলেন, সেটা অন্য কারও
নামের মানি রিসিট, ফারুক আহমেদের নামে নয়।
ফারুক আহমেদের নাম লেখা আছে এমন অবৈধ রশিদ দিলেন কল্যাণ ভদ্র এবং ওই রশিদে ফারুক আহমেদকে দিয়ে সইও করিয়ে নিলেন।
এই চরম অন্যায় ও প্রতারণা দেখে ফারুক আহমেদ তার বুকিং বাতিল করতে চেয়ে চিঠি মেল করলেন এবং হার্ড কপি নিয়ে দুবার টাটা মোটরসের ডিলার আর ডি মোটরসের কল্যাণী শাখায় গেলেন।
কিন্তু ফারুক আহমেদের চিঠি তারা রিসিভ করলেন না।
টাটা মোটরসের ডিলার আর. ডি. মোটরসের কল্যাণী শাখা ও কামারহাটি শাখার
ডিলার বিকাশ মন্ডল What’s App-এ জানালেন আপনার কারেকটেড মানি রিসিট
পাঠিয়ে দিয়েছি, আপনার কল্যাণীর ঠিকানায়। কিন্তু এটা মিথ্যা এখনও ফারুক আহমেদ সঠিক টাকা দেওয়ার মানি রিসিট বা রশিদ হাতে পাননি।




















